বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নগরের ২৮ নম্বর ওয়ার্ডে করোনার টিকার জন্য এসেছিলেন ৬৫ বছর বয়সী আকবর আলী। তিনি টিকার কার্ড আনলেও টিকা নিতে পারেননি। কেন্দ্র থেকে বলা হয়, কয়েক দিন পর তাঁকে টিকা দেওয়া হবে। কারণ, তাঁর প্রথম ডোজের টিকা নেওয়ার এক মাস হয়নি।

একই কেন্দ্রে খুব ভোরে আসেন সেনু খাতুন (৬০)। দীর্ঘ সারিতে তাঁর সামনের লোকজনের টিকা নেওয়া শেষ হলে তিনি টিকাকেন্দ্রে ঢুকতে সক্ষম হন। তখন জানতে পারেন, টিকার কার্ডের ফটোকপি আনতে হবে। পরে ফটোকপি নিয়ে এসে আবার সারির শেষে দাঁড়িয়ে টিকা নিয়েছেন।

সেনু খাতুন বলেন, টিকা কার্ডের ফটোকপি লাগবে, তা জানতেন না তিনি। তাহলে আগের দিন ফটোকপি করিয়ে রাখতেন। সকালে ফটোকপির দোকান বন্ধ ছিল। বেলা বাড়ার পর দোকান খুললে তিনি ফটোকপি করিয়েছেন।

টিকা কার্ডের ফটোকপির দোকানে কতটা ভিড়, তা দেখতে কাজলা এলাকার একটি মোড়ে যেতে বলেন সেনু খাতুন। ওই এলাকায় একটিই ফটোকপির দোকান। সেখানে গিয়ে দেখা যায়, মানুষের দীর্ঘ সারি। তাঁদের একজন রোস্তম আলী। প্রথম আলোকে তিনি বলেন, তাঁর মুঠোফোনে খুদে বার্তা এসেছে। টিকার কার্ডও আছে। কিন্তু কেন্দ্র থেকে বলা হয়েছে, টিকা কার্ডের ফটোকপি লাগবে। তাই ফটোকপি করাতে এসেছেন। ২০ মিনিট ধরে দাঁড়িয়ে আছেন তিনি।

রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা এ এফ এম আঞ্জুমান আরা বেগম বলেন, তথ্য সংরক্ষণ করতেই কার্ডের ফটোকপি রাখা হচ্ছে। দ্বিতীয় ডোজের টিকা নেওয়ার প্রথম দিনে মানুষের সাড়া ছিল জানিয়ে তিনি বলেন, প্রথম দিনে কতজন দ্বিতীয় ডোজের টিকা নিয়েছেন, তা সন্ধ্যার দিকে বলা যাবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন