বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

চালুয়াবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান শওকত আলী প্রথম আলোকে বলেন, গত শনিবার যমুনার দুর্গম চরবেষ্টিত এই ইউনিয়নের শিমুলতাইড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় টিকাদান কেন্দ্রে ৬০০ জনকে টিকা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্ত টিকা ‘আতঙ্কে’ অনেকেই কেন্দ্রে আসেননি। বাড়ি বাড়ি গিয়ে লোকজনকে ডেকে এনে সারা দিন অপেক্ষার পর এই কেন্দ্রে শ খানেক মানুষ টিকা নিতে আসেন। শেষে এ কেন্দ্রের দুটি বুথের জন্য বরাদ্দ দেওয়া ৪০০ টিকা পাশের বিরামের পাঁচগাছি চরে পাঠানো হয়। সেখানে বাড়ি বাড়ি গিয়ে লোকজনকে ডেকে অস্থায়ী টিকাকেন্দ্রে জড়ো করা হয়। দিন শেষে এই অস্থায়ী টিকাকেন্দ্রে প্রায় ২০০ জনকে টিকা দেওয়া সম্ভব হয়। এই ইউনিয়নের জন্য বরাদ্দের ৩০০ টিকা থেকে যায়।

ইউপি চেয়ারম্যান শওকত আলী আরও বলেন, সোমবার বিরামের পাঁচগাছি চরে অস্থায়ী কেন্দ্রে সেই টিকা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়। এক দিন আগেই বাড়ি বাড়ি গিয়ে নানাভাবে লোকজনকে বুঝিয়ে টিকাকেন্দ্রে জড়ো করা হয়। এতে কাজও দেয়।

দায়িত্বরত ব্যক্তিরা জানান, অস্থায়ী কেন্দ্রে টিকাদানের জন্য দুটি বুথ স্থাপন করা হয়। সকাল নয়টা থেকেই টিকাকেন্দ্রে মানুষের ঢল নামে। টিকা নিতে আসা লোকজনকে সামাল দিতে হিমশিম খেতে হয়। দুপুর ১২টার মধ্যে ৩০০ মানুষকে টিকা দেওয়া শেষ হয়। এ সময় অন্তত ১০০-১৫০ জন টিকা নিতে এসে ফেরত যান।

টিকা নিতে আসা খাটিয়ামারি চরের জাহিদুল ইসলাম (৪৬) প্রথম আলোকে বলেন, ‘এক দিন আগেই টিকা লিবার ভয়ে বাড়িত থ্যাকে পালিয়ে বেড়াচি। চিয়ারমিন-মিম্বর ভয় ভাঙ্গে দিচে। আজ বিয়ান থ্যাকে ব্যামাক (সব) মানুষ টিকা লিবার আচ্চে। টিকা না পায়্যা অনেকেই ফেরত যাচ্চে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন