বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, রাজিয়া তার চাচাতো ভাই হামীম মিয়ার মোটরসাইকেলে করে বাড়ি ফিরছিল। নান্দাইল সওজ সেতুর পূর্বপ্রান্তে এক কাভার্ড ভ্যান পেছন থেকে মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দেয়। এতে রাজিয়া ও হামীম ছিটকে পড়েন। আশপাশের লোকজন তাঁদের উদ্ধার করে নান্দাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক রাজিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পর হামীম অচেতন হয়ে পড়েন। পরে তাঁর জ্ঞান ফিরে আসে।

রাজিয়ার ফুফা আবুল কাশেম বলেন, ‘টিকা নিতে যাওয়ার সময় রাজিয়াকে ভাত খেয়ে যেতে বলেছিলাম। তখন সে বলেছিল, “টিকা নিয়ে বাড়ি ফিরে ভাত খাব।” আমার মায়ারে ভাত খাওয়াইতে পারলাম না।’

নান্দাইল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান আকন্দ বলেন, কাভার্ড ভ্যানের চাপায় ওই স্কুলছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। চালকসহ কাভার্ড ভ্যানটি জব্দ করে থানা আনা হয়েছে। ছাত্রীর পরিবার অভিযোগ দিয়ে মামলা করলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ওই ঘটনার পর নান্দাইল সওজ সেতুতে গিয়ে দেখা যায়, সড়কে তিন পাটি জুতা পড়ে আছে। এর মধ্যে এক জোড়া জুতা মেয়েদের এবং এক পাটি ছেলেদের। রক্তের ছোপ ছোপ দাগ। এর ওপর দিয়ে চলাচল করছে যানবাহন। সেতুর পশ্চিম প্রান্তে ইজিবাইকের জটলা। এলোমেলোভাবে ইজিবাইক দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছে। যাত্রী নেওয়ার জন্য এসব ইজিবাইক অনেক সময় সড়কের মাঝখানে দাঁড়িয়ে থাকে বলে অভিযোগ করেন আবদুল্লাহ আল-মামুন নামের এক পথচারী। তিনি বলেন, সড়কের ওপর যেন ইজিবাইকের স্ট্যান্ড। এ জন্য সড়কের এক পাশের মানুষকে অন্য পাশে যেতে ঝুঁকি নিতে হয়। এতে দুর্ঘটনার শঙ্কা বাড়ে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন