বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের পাকশী বিভাগীয় ব্যবস্থাপক (ডিআরএম) শাহীদুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, তদন্ত কাজ শেষ হয়েছে। তবে তিনি দাপ্তরিক কাজে ঢাকায় থাকায় প্রতিবেদন জমা নিতে পারছেন না। শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি এবং রোববার ১৫ মে বৌদ্ধ পূর্ণিমার ছুটি শেষ হলে ১৬ মে প্রতিবেদন জমা দেবেন।

জানতে চাইলে তদন্ত কমিটির প্রধান ও পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ের সহকারী পরিবহন কর্মকর্তা (এটিও) সাজেদুল ইসলাম বলেন, তদন্তকালে অভিযোগকারী ও অভিযুক্তসহ ঘটনার দিন ট্রেনে থাকা প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। সবার মৌখিক বক্তব্য গ্রহণ ও লিখিতভাবে তা নথিভুক্ত করে তদন্ত প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। ১৬ মে বিভাগীয় ব্যবস্থাপকের কাছে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে। এরপর তিনিই প্রকৃত ঘটনা সম্পর্কে সবাইকে অবগত করবেন।

৫ মে রাতে খুলনা থেকে ঢাকাগামী সুন্দরবন একপ্রেস ট্রেনে ঈশ্বরদী রেলওয়ে জংশন স্টেশন থেকে বিনা টিকিটে তিন যাত্রী ঢাকায় যাচ্ছিলেন। তাঁরা ট্রেনের এসি কামরায় বসে ছিলেন। তাঁদের কাছে ভাড়া চাইলে টিটিই শফিকুলের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। পরে ওই তিন যাত্রীর রেলমন্ত্রীর আত্মীয় বলে পরিচয় দেন। টিটিই শফিকুল তাঁদের কাছ থেকে ১ হাজার ৫০ টাকা ভাড়া নিয়ে এসি কামরা থেকে শোভন কামরায় পাঠান। ওই তিন যাত্রী শোভন কামরাতেই ঢাকা পৌঁছান। এর কিছুক্ষণের মধ্যে মুঠোফোনে টিটিই শফিকুলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

বরখাস্তের কারণ হিসেবে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের বিভাগীয় বাণিজ্যিক কর্মকর্তা (ডিসিও) নাসির উদ্দিন ইমরুল কায়েস নামে এক যাত্রীর হাতে লেখা একটি অভিযোগ গণমাধ্যমকে দেন। পরে রেলকর্তৃপক্ষ তিন সদস্যর একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। গত রোববার থেকে তদন্ত কমিটি কাজ শুরু করে। ওই দিনই টিটিই শফিকুল ইসলামের সামায়িক বরখান্তের আদেশ প্রত্যাহার করা হয়। সোমবার তিনি কাজে যোগ দিয়ে আবার দায়িত্ব পালন শুরু করেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন