এ সময় উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সাবেক সাংসদ মোস্তাক আহমদ চৌধুরী, টেকনাফ–২ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল শেখ খালিদ মোহাম্মদ ইফতেখার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পারভেজ চৌধুরী প্রমুখ। পরে মুজিব শতবর্ষ উদ্‌যাপনে বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি স্থানীয় ৫০ জন জেলের মধ্যে রেডিও, লাইফ জ্যাকেট, রেইনকোর্ট, টর্চ লাইটসহ প্রয়োজনীয় সামগ্রী তুলে দেন মহাপরিচালক আশরাফুল হক চৌধুরী।

কোস্টগার্ড সদর দপ্তরের মিডিয়া কর্মকর্তা লে. কমান্ডার খন্দকার মুনিফ তুকি বলেন, এত দিন এ অঞ্চলে সীমিত জনবল নিয়ে ৫ বছরে প্রায় ৯০০ কোটি টাকার মাদকসহ চোরাচালানের বিভিন্ন মালামাল উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে কোস্টগার্ড। প্রশাসনিক ও নাবিক নিবাস ভবন উদ্বোধনের মাধ্যমে এ স্টেশনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে। বিশেষ করে ইয়াবা নতুন প্রজন্মকে ধ্বংস করছে। এ ছাড়া নতুন যেসব মাদক আসছে, সেগুলো নিয়ন্ত্রণে অভিযান জোরদার করা হবে, যাতে বাংলাদেশের নতুন প্রজন্মের কাছে মাদক পৌঁছাতে না পারে।

কোস্টগার্ড টেকনাফ স্টেশন সূত্র জানায়, সীমান্তের জল-স্থলপথের বিভিন্ন জায়গায় অভিযানে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ১ কোটি ৯ লাখ ৪৩ হাজার ৭০৮ পিস ইয়াবা বড়ি, ১ কেজি ক্রিস্টাল মেথ বা আইস, ১১ হাজার ৯৪৯ ক্যান বিয়ার, ১ হাজার ৬১ বোতল বিদেশি মদ, ৭৩ কেজি গাঁজা, ৩ কেজি ২৮৭ গ্রাম স্বর্ণ, ৩টি পিস্তল, ১২টি দেশি বন্দুক, ১৬ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।