বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বন বিভাগ সূত্র জানায়, অনেক আগে থেকেই জাদিমোরা পাহাড়ি এলাকায় বন্য হাতির দল চলাচলের পাশাপাশি পানি পান করতে ওই ছড়ায় প্রতিনিয়ত আসা-যাওয়া করে আসছিল। বর্তমানে ওই এলাকার পার্শ্ববর্তী স্থানে মিয়ানমার থেকে আসা প্রায় ৪০ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থী বসবাস করছে। রোহিঙ্গাদের দৈনন্দিন ব্যবহারের পানির জন্য ওই এলাকায় উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর পাহাড়ের ছড়ার পানি সংরক্ষণ করার জন্য বাঁধ দেয় এবং হাতি চলাচলের পথ বন্ধ করে দিয়ে ওই এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ করে। ওই সময় বন বিভাগ বাধা দিলেও কাজ হয়নি।

default-image

এপিবিএন অধিনায়ক ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, ২৬ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সীমানার কাঁটাতারের বাইরে প্রায় ৫০০ গজ পশ্চিমে হস্তীশাবকটির মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় ব্যক্তিরা খবর দেন। পরে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে বন বিভাগকে খবর দেয়। সকাল ১০টার দিকে জেলা দক্ষিণ বন বিভাগের টেকনাফ সদর বিট কর্মকর্তা সৈয়দ আশিক আহমদ ঘটনাস্থলে যান।

বিট কর্মকর্তা সৈয়দ আশিক আহমেদ বলেন, ছয় দিনের মাথায় একই এলাকা থেকে আরও একটি হস্তীশাবকের মৃতদেহ উদ্ধারে তৎপরতা চলছে। পাহাড়ে অবস্থান করা সন্ত্রাসীরা হাতির দলকে গুলি করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নতুবা প্রায় এক হাজার ফুট ওপর পাহাড়ের চূড়া থেকে পড়ে হস্তীশাবকটির মৃত্যু হতে পারে। হস্তীশাবকটির অন্তত ৩-৪ দিন আগে মৃত্যু হয়েছে। তিনি বলেন, মৃত হস্তীশাবকটির ময়নাতদন্তের জন্য উপজেলা প্রাণিসম্পদ হাসপাতালে খবর দেওয়া হয়েছে এবং ঘটনাস্থল থেকে শাবকটি উদ্ধারে তৎপরতা চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন