বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিজিবি সূত্র জানায়, আজ ভোরে সাবরাং ঝিন্নাহখালের মো. সালামের মৎস্যঘের এলাকায় টহল দিচ্ছিলেন বিজিবির সদস্যরা। এ সময় তিনজন চোরাকারবারিকে তিনটি বস্তা নিয়ে যেতে দেখেন তাঁরা। টহল দল চোরাকারবারিদের চ্যালেঞ্জ করলে তাঁরা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় বিজিবির সদস্যরা চোরাকারবারিদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন। একপর্যায়ে বস্তাগুলো ফেলে কেওড়াবাগানের ভেতর দিয়ে পালিয়ে যান তাঁরা। পরে ওই এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে তিনটি বস্তার ভেতর থেকে ১ কেজি ৫৫৮ গ্রাম ক্রিস্টাল মেথ আইস, ১০ হাজার ইয়াবা ও ১৪২ ক্যান বিয়ার পাওয়া যায়।

বিজিবি সূত্র আরও জানায়, একই দিন ভোরে টেকনাফ পৌরসভার নাইট্যংপাড়ায় বিজিবির টহল দল একজন চোরাকারবারিকে মিয়ানমার থেকে একটি বস্তা নিয়ে নাফ নদী পাড় হয়ে টেকনাফের দিকে যেতে দেখে। ওই ব্যক্তির গতিবিধি সন্দেহ হওয়ায় তাঁকে ধাওয়া করেন বিজিবির সদস্যরা। এ সময় বস্তাটি ফেলে তিনি পার্শ্ববর্তী গ্রামে পালিয়ে যান। পরে বস্তার ভেতর থেকে ৪৮ ক্যান বিয়ার উদ্ধার করা হয়।

এ ছাড়া সোমবার ভোরে হোয়াইক্যং খারিঙ্গাঘোনা বেড়িবাঁধ এলাকায় পরিত্যক্ত অবস্থায় দুটি প্লাস্টিকের বস্তা উদ্ধার করে বিজিবি। এরপর বস্তা দুটির ভেতর থেকে ৩২০ প্যাকেট মিয়ানমারের বিড়ি উদ্ধার করা হয়। এর আগে রোববার রাত ১২টার দিকে টেকনাফ পৌরসভার নাইট্যংপাড়া টাওয়ার জোরা এলাকায় দুজন চোরাকারবারিকে মিয়ানমার থেকে একটি নৌকায় করে বাংলাদেশের জলসীমানার ভেতরে আসতে দেখে বিজিবির টহল দল। এ সময় তাঁদের চ্যালেঞ্জ করলে চোরাকারবারিরা নৌকা থেকে লাফ দিয়ে সাঁতরে মিয়ানমারে পালিয়ে যান। পরে নৌকাটিতে তল্লাশি চালিয়ে ৩৫ প্যাকেট লাচ্ছা সেমাই ও ৯ হাজার ৩০০ কিয়াত উদ্ধার করা হয়।

লেফটেন্যান্ট কর্নেল শেখ খালিদ মোহাম্মদ ইফতেখার বলেন, জব্দ করা লাচ্ছা সেমাই ও নৌকা টেকনাফ শুল্ক গুদামে জমা দেওয়া হয়েছে। মিয়ানমারের মুদ্রা কিয়াত কক্সবাজার ট্রেজারি শাখায় এবং ক্রিস্টাল মেথ আইস, ইয়াবা, বিয়ার ও বিড়ি বিজিবির সদর দপ্তরে জমা রাখা হয়েছে। পরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে এগুলো ধ্বংস করা হবে বলে জানিয়েছেন এই কর্মকর্তা।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন