এ ছাড়া অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মামলা থেকে খালাস পেয়েছেন মহিব উল্লাহ ও মো. দিদার মিয়া নামের দুই আসামি। এর মধ্যে মহিব উল্লাহ পলাতক আছেন এবং দিদার মিয়া কক্সবাজার জেলা কারাগারে বন্দী।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, ২০১১ সালের ৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৬টার দিকে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের গোদার বিল এলাকার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আবদুল্লাহর সাত বছরের শিশুসন্তান মো. আলী উল্লাহর হাত-পা বেঁধে মুখে স্কচটেপ লাগিয়ে গলা কেটে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় মোহাম্মদ আবদুল্লাহ বাদী হয়ে পাঁচজনের নাম উল্লেখ ও আরও চার থেকে পাঁচজনকে অজ্ঞাত আসামি করে টেকনাফ থানায় হত্যা মামলা করেন।

মামলার তদন্তকারী সংস্থা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) এজাহারভুক্ত পাঁচজনসহ মোট আটজন আাসামির নাম উল্লেখ করে ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। আট আসামি হলেন নওগাঁ জেলার মহাদেবপুর থানার কোদ্দ নারায়ণপুরের মো. সুমন আলী (২৬), ঠাকুরগাঁওয়ের নিশ্চিন্তপুরের ইয়াছিন প্রকাশ ওরফে রায়হান (২৯), কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার শ্রীপুর এলাকার মো. ইয়াকুব (৩৪), টেকনাফের গোদার বিল গ্রামের মো. ইসহাক প্রকাশ ওরফে কালু (৩১), মহেশখালীয়া পাড়ার নজরুল ইসলাম (২৮), রোহিঙ্গা সৈয়দুল আমিন প্রকাশ ওরফে লম্বাইয়া (৪৭), টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপের মাঝেরপাড়া এলাকার মহিবুল্লাহ (৪৫), টেকনাফ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জাফর আহমদের ছেলে দিদার মিয়া (৩৫)।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের সরকারি কৌঁসুলি ফরিদুল আলম প্রথম আলোকে বলেন, জেলা ও দায়রা জজ আদালত ২০২০ সালের ২৪ জুলাই আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। আদালত মামলায় ২৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। আজ রায়ে ছয় আসামির মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন