default-image

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলায় ১০টি অস্ত্রসহ দুজন রোহিঙ্গাকে গ্রেপ্তার করেছেন র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব-১৫) সদস্যরা।

গতকাল সোমবার বেলা দুইটার দিকে উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের দমদমিয়ার ওমরখাল সেতু-সংলগ্ন এলাকার নূর হাসেমের বাড়ির সামনে থেকে অস্ত্রসহ তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। তবে গতকাল রাত সাড়ে ১০টার দিকে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তথ্যটি নিশ্চিত করেন র‍্যাব-১৫-এর কক্সবাজার কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) ও সহকারী পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ মোহাম্মদ শেখ সাদী।

গ্রেপ্তার দুজন হলেন উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের জাদিমোরা শালবাগান রোহিঙ্গা শরণার্থীশিবিরে এ-৩ ব্লকের বাসিন্দা সৈয়দ হোসেন (৫৫) ও মোচনী রোহিঙ্গা শরণার্থীশিবিরের ব্লক সির বাসিন্দা আজিজুল হকের ছেলে বদি আলম (২০)।

র‍্যাবের দাবি, ওই দুজন রোহিঙ্গা। তাঁরা রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী। তাঁদের কাছ থেকে ৯টি এসবিবিএল ও একটি ওয়ান শুটারগান উদ্ধার করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গতকাল দুপুরে র‍্যাব জানতে পারে, উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের দমদমিয়ার ওমরখাল সেতু-সংলগ্ন এলাকায় নূর হাসেমের বাড়ির সামনে রাস্তার ওপর অস্ত্রশস্ত্রসহ অবস্থান করছে একদল সন্ত্রাসী। সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাবের একটি দল দুপুরে ওই স্থানে পৌঁছালে র‍্যাব সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে দুটি বস্তা ফেলে দৌড়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় দুজনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হলেও আরও ১০ জন অজ্ঞাতনামা আসামি কৌশলে পালিয়ে যান। পরে ফেলে যাওয়া দুটি বস্তার ভেতর থেকে ৯টি এসবিবিএল ও একটি ওয়ান শুটারগান উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তার দুজনকে আসামিদের পালানোর কারণ জিজ্ঞাসা করলে তাঁরা বলেন, তাঁদের কাছে অবৈধ অস্ত্র রয়েছে। তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ অস্ত্রগুলো বিভিন্ন এলাকা থেকে সংগ্রহ করে বিভিন্ন সন্ত্রাসী গ্রুপের মাধ্যমে ক্রয়-বিক্রয়সহ নিজেদের হেফাজতে রেখে এলাকায় বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করছিলেন।

সহকারী পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ মোহাম্মদ শেখ সাদী বলেন, গ্রেপ্তার দুজনকে অস্ত্রসহ রাতে টেকনাফ মডেল থানায় সোপর্দ করে মামলা করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে টেকনাফ মডেল থানার পরিদর্শক (অপারেশন) খোরশেদ আলম আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে প্রথম আলোকে মুঠোফোনে বলেন, গ্রেপ্তার দুজনকে কিছুক্ষণের মধ্যে কক্সবাজার আদালতে পাঠানো হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন