বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

দুপুর সাড়ে ১২টায় শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের কার্যালয়ের মাধ্যমে ২টি বাস ও ৩টি ট্রাকে করে রোহিঙ্গাদের উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্প-৮ ডব্লিউর উদ্দেশে নেওয়া হয়।

প্রথম আলোকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের কার্যালয়ের (আরআরআরসির) সহকারী ও টেকনাফের বাহারছড়ার শামলাপুর ২৩ নম্বর ক্যাম্পের ইনচার্জ (সিআইসি) পুলক ক্লান্তি চক্রবর্তী।

কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের গুরুত্ব বিবেচনা করে এবং পর্যটন এলাকা হিসেবে পর্যটকদের নিরাপত্তার স্বার্থে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি সূত্র ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এটা নিশ্চিত করেন।

এর আগে চলতি বছরের ১৩ জানুয়ারি প্রথম দফায় টেকনাফের বাহারছড়া শামলাপুর ২৩ নম্বর রোহিঙ্গা শিবিরের বিভিন্ন ব্লক থেকে উখিয়ার রোহিঙ্গা শিবিরে যেতে ইচ্ছুক এমন ১৫৬ পরিবারের ৭২৭ জনকে রোহিঙ্গা নারী-পুরুষ ও শিশুকে উখিয়ায় স্থানান্তর প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছিল।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের কার্যালয়ের সহকারী কর্মকর্তা, বাহারছড়ার শামলাপুর ক্যাম্পের ইনচার্জ ( সিআইসি) সিনিয়র সহকারী সচিব পুলক কান্তি চক্রবর্তী বলেন, সরকারের নির্দেশনায় স্থানান্তর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বাহারছড়ার শামলাপুর ক্যাম্পটি খালি করে রোহিঙ্গাদের উখিয়াসহ অন্য ক্যাম্পে নেওয়া হচ্ছে। স্থানান্তর প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সেনা টহল, এপিবিএনসহ বিভিন্ন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সহযোগিতায় রোহিঙ্গাদের উখিয়ায় আজ স্থানান্তর করা হয়। এই স্থানান্তর প্রক্রিয়া চলমান আছে। বাহারছড়ার শামলাপুর ক্যাম্পটি খালি করে রোহিঙ্গাদের উখিয়াসহ অন্য ক্যাম্পে নেওয়া হচ্ছে।

বাহারছড়া ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান আজিজ উদ্দিন বলেন, পর্যটন এলাকা ও টেকনাফ-কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভ সড়কের গুরুত্ব বিবেচনা করে বাহারছড়ার শামলাপুর ২৩ নম্বর রোহিঙ্গা শিবির বন্ধের পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। এ জন্য এই শিবিরের রোহিঙ্গাদের অন্যত্র স্থানান্তর করা হচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন