বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

উপাচার্য আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘টেকসই উন্নয়ন করতে হলে অবশ্যই আমাদের নিজস্ব পেটেন্ট ডেভেলপ করতে হবে। যদি দেশের উন্নয়ন স্থিতিশীল রাখতে হয়, তাহলে নতুন নতুন উদ্ভাবনের কোনো বিকল্প নেই। বিশ্ববিদ্যালয়ের লক্ষ্য হতে হবে কোনো পণ্যের উদ্ভাবন ও প্রক্রিয়াজাত করে তা বাজার পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়া।’

এই বিশ্ববিদ্যালয়ের যে শিক্ষক–শিক্ষার্থীরা নিরলস গবেষণা ও উদ্ভাবনে নিয়োজিত থাকবেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সব সময় তাঁদের পাশে থাকবে বলেও উপাচার্য আশ্বাস দেন।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন দ্য সেন্টার ফর সফিস্টিকেটেড ইনস্ট্রুমেন্টেশন অ্যান্ড রিসার্চ ল্যাবরেটরির (সিএসআরআইএল) উপপরিচালক মো. জাভেদ হোসেন খান।

মূল প্রবন্ধে শিক্ষক–শিক্ষার্থী ও গবেষকদের জন্য যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া পলিসি’র খসড়া নীতিমালা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। কীভাবে শিক্ষক–শিক্ষার্থীরা তাঁদের উদ্ভাবন ও পেটেন্ট তৈরির মাধ্যমে লাভবান হবেন, সেটাও তুলে ধরা হয়।

সভাপতির বক্তব্যে সিএসআরআইএলের টেস্টিং অ্যান্ড কনসালট্যান্সি সার্ভিস উইংয়ের প্রধান অধ্যাপক মো. ইকবাল কবীর জাহিদ বলেন, বিশ্বের বিখ্যাত সব বিশ্ববিদ্যালয় ‘ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমি রিলেশন’–এর ওপর দাঁড়িয়ে আছে। কারণ, বিশ্ববিদ্যালয়ের থাকে গবেষণাগার, গ্রন্থাগার এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থী। এর মাধ্যমে সহজেই তারা কোনো পণ্য উদ্ভাবন করে তা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে পারে। এই বিশ্ববিদ্যালয়েরও এ ধরনের কার্যক্রম পরিচালনার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। যাঁরা এ ধরনের কার্যক্রমে আগ্রহী হবেন, সিএসআরআইএলের টেস্টিং অ্যান্ড কনসালট্যান্সিং সার্ভিস তাঁদের পাশে থেকে সার্বিক সহযোগিতা করবে।

দিনব্যাপী কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন কোষাধ্যক্ষ মো. আবদুল মজিদ, ডিন অধ্যাপক সৈয়দ মো. গালিব, অধ্যাপক সাইবুর রহমান মোল্যা, অধ্যাপক মো. জিয়াউল আমিন, অধ্যাপক মো. নাসিম রেজা, মো. আবদুল্লাহ আল মামুন, সুমন চন্দ্র মোহন্ত ও মো. মেহেদী হাসানসহ বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন