ইয়ামিন ও রোহান উপজেলার মাঝেরচর গ্রামের মমতাজ হাওলাদারের ছেলে। নাসরিন বেগম তাদের মা ও মাহিনুর বেগম নানি। মালা বেগম তাদের স্বজন। তিনি মাঝেরচর গ্রামের সাইফুল ইসলামের স্ত্রী। এক আত্মীয়ের মৃত্যুর খবরে স্বজনদের নিয়ে নৌকায় দড়িচর খাজুরিয়া গ্রামে যাচ্ছিলেন তাঁরা।

আজ রোববার সকালে ইয়ামিন ও মালা বেগমের লাশ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে মেহেন্দীগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) তৌহিদ জামান বলেন, দুর্ঘটনাস্থল থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার দক্ষিণে লাশ দুটি ভাসতে দেখে উদ্ধার করে নৌ পুলিশ। এ নিয়ে এই ঘটনায় মোট পাঁচজনের লাশ পাওয়া গেল। এখন আর কেউ নিখোঁজ নেই।

স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শুক্রবার ভোরে নিহত মাহিনুর বেগমের আত্মীয় কবির কাজী মারা যান। কবির কাজী গজারিয়া নদীর পূর্ব তীর দড়িচর খাজুরিয়া গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর মৃত্যুর খবর পেয়ে মাহিনুর বেগমসহ ১১ স্বজন দড়িচর খাজুরিয়ায় যাওয়ার জন্য সকাল সাড়ে ১০টায় ইঞ্জিনচালিত নৌকায় করে কবির কাজীর বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন। প্রচণ্ড ঢেউয়ে মাঝনদীতে নৌকাটি ডুবে যায়। এ সময় কোস্টগার্ডের একটি টহল দল কাছাকাছি থাকায় কোস্টগার্ড ও জেলেরা ছয়জনকে জীবিত উদ্ধার করতে পারলেও মাহিনুর ও তাঁর মেয়ে নাসরিন মারা যান। নিখোঁজ হয় নাসরিনে দুই শিশুসন্তান ও স্বজন মালা বেগম।