বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

দৌলতদিয়া ঘাট সূত্রে জানা যায়, কুয়াশার কারণে বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে তিনটার পর দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে ফেরি বন্ধ করা হয়। চার ঘণ্টার বেশি সময় পর গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল সোয়া আটটার দিকে আবার ফেরি চালু হয়। এ সময় আটকে থাকা অনেক যাত্রী দ্রুত নদী পাড়ি দিতে ট্রলারে ওঠেন। মাত্র আড়াই কিলোমিটার নদীপথ পাড়ি দিতে মাথাপিছু আদায় করা হয় ৫০-১০০ টাকা। মোটরসাইকেল পার করতে নেওয়া হয় ৫০০ টাকার মতো। ছোট ট্রলারে ২৫–৩০ জন ও বড় ট্রলারে ৭০-৮০ জনকে পার করা হয়। অথচ নৌপথে ট্রলার বা ইঞ্জিনচালিত নৌকায় যাত্রী পারাপার সম্পূর্ণ নিষেধ। এতে যেকোনো মুহূর্তে ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা।

বুধবার ও গতকাল ভোরে গিয়ে দেখা যায়, দৌলতদিয়ার ৫ নম্বর ঘাটে ফেরিগুলো নোঙর করে আছে। এ সময় একাধিক ট্রলার ফেরির পন্টুনের সঙ্গে রশি দিয়ে বেঁধে যাত্রী ওঠানামা করানো হয়।

বুধবার সকালে দৌলতদিয়ার ৫ নম্বর ফেরিঘাটে ট্রলারে উঠেছেন ফরিদপুর থেকে আসা আনোয়ার হোসেন নামের এক ব্যক্তি। সঙ্গে তাঁর স্ত্রী। আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘কুয়াশায় কখন ফেরি ছাড়বে, তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। আমাদের জরুরি ঢাকায় পৌঁছাতে হবে। তাই আর দেরি না করেই রওনা করেছি।’

ট্রলারে থাকা বাচ্চু মোল্লা নামের এক ব্যক্তি বলেন, তাঁর বাড়ি এই দৌলতদিয়া ঘাটেই। ট্রলার নিয়ে এমনিতে বসে আছেন। কুয়াশায় যাত্রীদের পার করে দিচ্ছেন। এ জন্য মাথাপিছু ৫০ টাকা নিচ্ছেন। প্রশাসনকে ফাঁকি দিয়েই যাত্রী পার করছেন।

পন্টুনে থাকা আলাউদ্দিন শিকদার বলেন, ‘শুধু আমরা নই, নদীতে অনেক ট্রলারে যাত্রী পারাপার করা হচ্ছে।’ প্রশাসন বাধা দেয় কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রশাসন দেখলে বাধা দেয়। মাঝেমধ্যে ইঞ্জিনের হ্যান্ডেল নিয়ে যায়। ভাঙচুর করে।

দৌলতদিয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক সৈয়দ জাকির হোসেন বলেন, বুধবার কিছু ট্রলারে যাত্রী পারাপার করা হয়েছিল। বিষয়টি জানার পর ট্রলারচালকদের ডেকে যাত্রী পারাপার নিষেধ করা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন