বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ট্রাইব্যুনালের বেঞ্চ সহকারী কফিল উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, আদালত বাদীর অভিযোগ আমলে নিয়ে বিষয়টি অনুসন্ধানের জন্য মিরসরাইয়ের জোরারগঞ্জ থানার মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন।

মামলার আরজি থেকে জানা যায়, চলতি বছরের ১১ ফেব্রুয়ারি ইকবালের সঙ্গে বিয়ে হয় সোনিয়া সামাদের। তিনি মিরসরাইয়ের জোরারগঞ্জে একটি ক্লিনিকে চিকিৎসক হিসেবে আছেন। তাঁর মা-বাবা ইতালিপ্রবাসী।

মামলায় সোনিয়া সামাদ অভিযোগ করেন, বিয়ের পর থেকে ইকবাল যৌতুকের জন্য তাঁকে নানাভাবে চাপ ও নির্যাতন করে আসছেন। ঢাকার সাভারে থাকা তাঁর (বাদী) পাঁচতলা বাড়ি ও ব্যবহৃত একটি প্রাইভেট কার ইকবালের নামে লিখে দিতে চাপ দিচ্ছিল। গত ৬ এপ্রিল তাঁর কাছ থেকে ইকবাল এক লাখ টাকা নেন। সর্বশেষ ২৫ জুলাই যৌতুকের জন্য জোরারগঞ্জের বাসায় তাঁকে মারধর করেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে আজ বিকেলে মুঠোফোনে ট্রাফিক পুলিশ সার্জেন্ট ইকবাল হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ১৫ দিন আগে স্ত্রীকে (মামলার বাদী) তিনি তালাক দিয়েছেন। এর বেশি কিছু বলতে চাননি তিনি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন