বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রেলওয়ে পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী জানান, কিশোরগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী আন্তনগর কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনটি দ্রুতগতিতে ভৈরবের দিকে আসছিল। ওই নারী তখন লাইনের কাছাকাছি ছিলেন। ট্রেন থেকে হুইসেল বাজানো হচ্ছিল। ট্রেনটি চলে যাওয়ার পর দেখা যায়, লাইনের এক পাশে নারী পড়ে আছেন। তাঁর সারা শরীর ক্ষতবিক্ষত হয়ে গেছে। প্রায় ২০ গজ দূরে পড়ে ছিল শিশুটি।

আহত শিশুটিকে প্রথমে ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক রেজিনা পারভিন জানান, শিশুটির ডান পাশের পাঁজর ভেঙে গেছে। ফুসফুস আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে। ঠিকমতো শ্বাস নিতে পারছে না।

ভৈরব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লুবনা ফারজানা জানান, ধারণা করা হচ্ছে, মারা যাওয়া নারী শিশুটির মা। কিন্তু তাঁদের পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি। এ অবস্থায় শিশুটিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়।

খবর পেয়ে দুর্ঘটনাস্থলে যান ভৈরব রেলওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হারুনুজ্জামান। তিনি বলেন, দুর্ঘটনায় নারী ঘটনাস্থলে মারা যান। পরনে সালোয়ার–কামিজ ছিল। সঙ্গে মুঠোফোন কিংবা অন্য কিছু পাওয়া যায়নি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন