বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে আরমান ও গালিব নামে দুই বন্ধুকে নিয়ে বিসিক শিল্পনগরীর সামনে একটি চায়ের দোকানে নাশতা খেয়ে বাড়ি ফিরছিল মেহেদী। পথে মোটরসাইকেল নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা দুর্বৃত্তরা পথ রোধ করে তাকে ছুরিকাঘাত করে। এ সময় আরমান ও গালিব এগিয়ে এলে দুর্বৃত্তরা তাদের ওপরও হামলা চালায়। পরে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। স্থানীয় লোকজন তিনজনকে উদ্ধার করে ঠাকুরগাঁও সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মেহেদীকে মৃত ঘোষণা করেন।

মেহেদী হত্যার ঘটনায় আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে শহরে বিক্ষোভ করেছে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। কয়েক শ বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী প্ল্যাকার্ড ও ফেস্টুন নিয়ে শহরের বিভিন্ন সড়কে বিক্ষোভ মিছিল করে। এ সময় তারা স্লোগান দেয়—উই ওয়ান্ট জাস্টিস (আমরা ন্যায়বিচার চাই)। শিক্ষার্থীরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে গিয়ে নানা স্লোগান দিতে থাকে। পরে শিক্ষার্থীদের কাছে আসেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. মামুন ভূঁইয়া। তিনি শিক্ষার্থীদের কথা শোনে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের চিহ্নিত করে তাদের আইনের আওতায় আনার আশ্বাস দেন। আশ্বাস পেয়ে শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে ফিরে যায়।

মেহেদীর সহপাঠী আবদুল আখের বলেন, ‘মেহেদীর সঙ্গে আমরা দীর্ঘদিন চলাফেরা করেছি। সে সব সময় ঝামেলা এড়িয়ে চলত। এমন স্বভাবের এক বন্ধুকে হত্যা করা হবে, ভাবতে পারছি না।’

এ বিষয়ে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তানভিরুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্ত শেষে মেহেদীর লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এ ঘটনায় এখনো মামলা হয়নি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন