default-image

ঠাকুরগাঁও চিনিকলে আখ সরবরাহকে কেন্দ্র করে সুরেশ চন্দ্র রায় (৫৫) নামের ডিজেলচালিত পাওয়ার ট্রলির এক চালককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল সোমবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে ঠাকুরগাঁও চিনিকলের আখ ক্রয়কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বাবা-ছেলেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সুরেশ চন্দ্র রায় দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলার মুর্শিদাহাট গ্রামের সবিন্দ্র নাথ রায়ের ছেলে।

পুলিশ ও কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, গতকাল রাতে বোচাগঞ্জ উপজেলার মুর্শিদাহাট গ্রাম থেকে ঠাকুরগাঁও চিনিকলে আখ সরবরাহের জন্য ডিজেলচালিত পাওয়ার ট্রলিতে করে আখ নিয়ে আসেন সুরেশ চন্দ্র রায়। চিনিকলের ক্রয়কেন্দ্রে আখ দেওয়ার সিরিয়াল নিয়ে সুরেশের সঙ্গে আরেক ট্রলিচালক আবদুর রহিমের (৫৫) বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে আবদুর রহিম ও তাঁর ছেলে সোহাগ আলী (১৯) আখ দিয়ে সুরেশকে বেধড়ক পিটিয়ে আহত করেন। পরে স্থানীয় লোকজন সুরেশকে উদ্ধার করে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১২টার দিকে সুরেশের মৃত্যু হয়।

বিজ্ঞাপন

হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক রাকিবুল আলম বলেন, সুরেশ চন্দ্র রায় নামের ওই রোগীর শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। সেই আঘাতের কারণেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে।

এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তানভিরুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, সুরেশ চন্দ্র রায়ের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় নিহত ব্যক্তির ছেলে মিলন রায় তিনজনের নাম উল্লেখ করে আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টার থানায় মামলা করেছেন। এর আগে আজ ভোরে মামলার দুই আসামি বোচাগঞ্জের মুর্শিদাহাট গ্রামের আবদুর রহিম ও তাঁর ছেলে সোহাগ আলীকে আটক করা হয়। তাঁদের ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন