default-image

ঠাকুরগাঁওয়ে আজ রোববার করোনার টিকাদান শুরু হয়েছে। ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে সাংসদ রমেশ চন্দ্র সেনকে টিকাদানের মধ্য দিয়ে জেলায় এই কর্মসূচি শুরু হয়েছে।

বেলা ১১টার দিকে স্ত্রী অঞ্জলি রানী সেনকে সঙ্গে নিয়ে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে আসেন রমেশ চন্দ্র সেন। পরে সেখানে টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠান হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সিভিল সার্জন মাহফুজার রহমান সরকার। অনুষ্ঠানে সাংসদ রমেশ চন্দ্র সেন, জেলা প্রশাসক কে এম কামরুজ্জামান সেলিম, পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর হোসেন প্রমুখ বক্তব্য দেন।

রমেশ চন্দ্র সেন বলেন, ‘অনেক বড় দেশ করোনার টিকা দেওয়া শুরু করতে পারেনি। কিন্তু আমরা ভাগ্যবান। আবিষ্কারের অল্প দিনের মধ্যেই আমরা বিনা পয়সায় টিকা পেয়ে যাচ্ছি। টিকা নিয়ে অনেক অপপ্রচার, গুজব রয়েছে। সেসব গুজবের জবাব দিতেই আমি ও আমার স্ত্রী প্রথমে টিকা নেওয়ার আগ্রহ দেখিয়েছি।’

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে রমেশ চন্দ্র সেন ও অঞ্জলি সেন টিকা নেন। এরপর পর্যায়ক্রমে জেলা প্রশাসক কে এম কামরুজ্জামান সেলিম, পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর হোসেন, সিভিল সার্জন মাহফুজার রহমান সরকার, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক দীপক কুমার রায়, ঠাকুরগাঁও জজ আদালতের প্রধান সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) শেখর কুমার রায়, সাংবাদিক আবদুল লতিফ ও সদর থানার ওসি তানভিরুল ইসলামসহ অন্য ব্যক্তিরা টিকা নেন। তাঁদের আধা ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে রাখা হয়।

বিজ্ঞাপন

সিভিল সার্জন মাহফুজার রহমান সরকার জানান, ঠাকুরগাঁও জেলার জন্য ৪৮ হাজার টিকা পাওয়া গেছে। আজ সকাল পর্যন্ত নিবন্ধন করেছেন ৩ হাজার ২০৫ জন। এর মধ্যে সদর উপজেলায় ১ হাজার ৫৬৩ জন, রানীশংকৈলে ৩২৬ জন, পীরগঞ্জে ৩৮৫ জন, হরিপুরে ২২১ জন ও বালিয়াডাঙ্গীতে ৭১০ জন। যাঁরা নিবন্ধন করেছেন, তাঁদের মধ্যে খুদে বার্তা পেয়েছেন ৫৪৮ জন। খুদে বার্তা পাওয়া ৫৪৮ জনকে আজ টিকা দান করা হবে।

সিভিল সার্জন আরও বলেন, জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে ৭৭টি টিকার দল গঠন করা হয়েছে। জেলায় দক্ষ টিকাদান কর্মী রয়েছেন ১৫৪ জন। প্রশিক্ষণ পাওয়া স্বেচ্ছাসেবীর সংখ্যা ৩০৮ জন। টিকা দেওয়ার জন্য প্রতি উপজেলা হাসপাতালে দুইটি, সদর হাসপাতালে চারটি এবং বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) হাসপাতালে দুইটি দল কাজ করছে। সরকারি ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিন টিকাদানের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন