বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, ২০১০ সালের ১৪ মার্চ বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার হারামডাঙ্গীর ভুট্টাখেত থেকে মস্তকবিহীন অজ্ঞাত (২৮) ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ওই ব্যক্তির স্বজনেরা লাশটি বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ভানোর গোকরাপাড়া গ্রামের মোজাম্মেল হকের বলে শনাক্ত করেন।
বালিয়াডাঙ্গী থানা-পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আতিকুল ইসলাম বাদী হয়ে একটি মামলা করেন। মামলা তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় আরেক এসআই আতিকুল ইসলামকে।

ঘটনার সূত্র ধরে ওই বছরের ১৬ মার্চ ইউনুস আলী, আবদুল জলিল ও কফিল উদ্দীনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাঁরা ১৬৪ ধারায় নিজেদের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বালিয়াডাঙ্গীর নেংটিহারা গ্রামের একটি ইটভাটার চুল্লি থেকে মোজাম্মেল হকের মস্তকের জ্বলে যাওয়া অংশ উদ্ধার করা হয়।

পরবর্তী সময় মামলার তদন্তভার পুলিশের এসআই মো. ফরহাদ আলীকে দেওয়া হয়। একপর্যায়ে জেলা সিআইডির পরিদর্শক মোজাম্মেল হক মামলাটি তদন্ত করে আটজনকে আসামি করে ২০১৩ সালের ১৮ মে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। এই মামলায় মোট ১৮ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দেন।

অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আবদুল হামিদ বলেন, প্রত্যেক আসামিকে এক হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাভোগের আদেশ দিয়েছেন আদালত। রায় ঘোষণার সময় তিন আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। বাকি দুজন পলাতক। আর সম্পৃক্ততা না পাওয়ায় মামলার অন্য তিন আসামিকে খালাস দিয়েছেন আদালত।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন