বিজ্ঞাপন
নির্বাচনে সভাপতি পদে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের প্রার্থী আবদুল হালিম ৯৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ ও সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের প্রার্থী তোজাম্মেল হক পান ৯৫ ভোট।

নির্বাচনে সভাপতি পদে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের প্রার্থী আবদুল হালিম ৯৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ ও সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের প্রার্থী তোজাম্মেল হক পান ৯৫ ভোট। সাধারণ সম্পাদক পদে বিএনপিসমর্থিত প্রার্থী এনতাজুল হক ১০০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ ও সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের ইমরান হোসেন চৌধুরী পেয়েছেন ৯২ ভোট।
জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের থেকে বিজয়ী অন্য প্রার্থীরা হলেন সহসভাপতি পদে মো. রফিজুদ্দিন, গ্রন্থাগার সম্পাদক মো. ইয়াজুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ আবু দাউদ, কমনরুম ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে কামাল হোসেন ও সদস্য পদে মো. তৈমুর রহমান।

বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ ও সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদ থেকে সহসভাপতি পদে হাবিবা ইয়াসমিন, সহকারী সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন এবং সদস্য পদে আবু তৈয়ব মো. নাজমুল হুদা, আশিকুর রহমান এবং ললিত কুমার রায় জয়ী হয়েছেন।

ঠাকুরগাঁও আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোস্তাক আলম বলেন, ‘নির্বাচন পরিচালনায় আমাদের সাংগঠনিক দুর্বলতা ছিল। তা ছাড়া বিএনপির প্রার্থীরা অনৈতিকভাবে টাকা দিয়ে ভোট কিনেছে। এ কারণে এমন ফলাফল হয়েছে।’

তবে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম থেকে নির্বাচিত সভাপতি আবদুল হালিম ভোট কেনাবেচার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘দেশে মানুষের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নেই। ভোটাররা যেখানে স্বাধীনভাবে মত প্রকাশ করতে পারবে, সেখানে এই সরকারদলীয় প্রার্থীর ভরাডুবি নিশ্চিত। ঠাকুরগাঁওয়ের আইনজীবী সমিতির নির্বাচন সেই ইঙ্গিত বহন করছে। আমাদের প্রার্থীরা আরেকটু পরিশ্রম করলেই গোটা প্যানেলে জয়ী হওয়া কঠিন ছিল না।’

প্রধান নির্বাচন কমিশনার আনিসুর রহমান খান জানান, ঠাকুরগাঁও জেলা আইনজীবী সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচনে ১২টি পদের ২৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এতে ২০৪ জন ভোটারের মধ্যে ১৯৪ জন ভোট দেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন