বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

১০ জুলাই সন্ধ্যা সাতটায় সদর উপজেলার কাশিপুর এলাকায় যুব ভবনসংলগ্ন দিনাজপুর-ঢাকা মহাসড়কের পাশে অসুস্থ অবস্থায় জব্বারকে পড়ে থাকতে দেখেন ওই এলাকার শাহিনুর ও ওবায়দুর রহমান নামের দুই যুবক। তাঁরা তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।

ওবায়দুর মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ওই সময় লোকটি ঠিকমতো কথা বলতে পারছিলেন না। মুখ দিয়ে গোঙানির আওয়াজ হচ্ছিল। তাঁর পরনে ছিল হলুদ-সাদা রংয়ের শার্ট এবং নীল রংয়ের লুঙ্গি। তাঁর ডান পায়ে রানের মধ্যে ঘা ছিল। এ জন্য হাঁটতেও পারছিলেন না। হাসপাতালে ভর্তির পর থেকে ১০ তারিখ পর্যন্ত প্রতিদিনই হাসপাতালে গিয়ে খোঁজ নিয়েছেন তিনি। শুরুতে কথা বলতে না পারলেও দুদিন পর শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে জব্বার তাঁর নাম ও ঠিকানা জানান।

চিকিৎসাধীন অবস্থায় জব্বারের মৃত্যু হলে পরদিন সকালে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি দিনাজপুর কোতোয়ালি থানাকে অবহিত করে। কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক মো. সোহেল রানা বলেন, জব্বারের দেওয়া ঠিকানা অনুযায়ী যশোর বেতার ও পুলিশ কন্ট্রোল টিমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাঁরা জানান, ওই এলাকায় জব্বার নামের কাউকে চিনতে পারেননি স্থানীয় লোকজন। ফরেনসিক রিপোর্ট, ফিঙ্গারপ্রিন্টসহ যাবতীয় লাশ শনাক্তবিষয়ক নমুনা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ সংগ্রহ করেছে। এ বিষয়ে কোতোয়ালি থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করা হয়েছে।

আগামীকাল সোমবারের মধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে জব্বারের লাশ দাফনের জন্য আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানান তিনি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন