বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রথম আলো: কুয়াকাটা-গঙ্গামতি সৈকতে এ পর্যন্ত কতগুলো মৃত ডলফিন ভেসে এসেছে?

সাগরিকা স্মৃতি: জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত ২১টি মৃত ডলফিন ভেসে এসেছে। শুধু আগস্ট মাসেই ৮টি মৃত ডলফিন ভেসে এসেছে। গত বছরও ৭-৮টি মৃত ডলফিন ভেসে আসার খবর আমরা পেয়েছি। এই খবরে আমরা উদ্বিগ্ন।

default-image

প্রথম আলো: ডলফিন রক্ষায় কী করা যায়?

সাগরিকা স্মৃতি: সমুদ্রে মাছ ধরা জেলেদের সংখ্যা অনেক। জেলেদের সচেতন করা ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। জেলেদের বোঝাতে হবে, জালে ডলফিন, হাঙর, শাপলাপাতা মাছ, কাছিম–জাতীয় প্রাণী আটকা পড়লে ছেড়ে দিতে হবে। জেলেরা যাতে মাছ ধরতে গিয়ে ডলফিনের প্রতি দায়িত্বশীল আচরণ করেন, তা তাঁদের বোঝাতে হবে। কীভাবে জালে আটকা পড়া প্রাণী ছেড়ে দিতে হবে, তার কৌশলও জেলেদের শেখানো দরকার।

প্রশ্ন: ডলফিনের মৃত্যুর রহস্য উদ্‌ঘাটন কীভাবে করা যায়?

সাগরিকা স্মৃতি: ডলফিনের মৃত্যুর রহস্য উদ্‌ঘাটন করতে হলে ডলফিনের ময়নাতদন্ত করার ব্যবস্থা নিতে হবে। এ জন্য মৃত ডলফিনের অন্ত্র, জিব, দেহের গুরুত্বপূর্ণ অংশ দ্রুত সংগ্রহ করে তা প্রক্রিয়াজাত করার যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। ডলফিন কেন মারা যাচ্ছে, তা বের করতে হলে যথাযথ ময়নাতদন্ত ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাগার, ঢাকায় বন অধিদপ্তরের পরীক্ষাগারে ময়নাতদন্ত করা যায়। তা ছাড়া দেশে যে ভেটেরিনারি হাসপাতালগুলো আছে, সেখানেও ময়নাতদন্তের জন্য ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে। তাহলে আমরা ডলফিনের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে জানতে পারব।

প্রথম আলো: ডলফিন রক্ষায় সরকারের উদ্যোগ সন্তোষজনক?

সাগরিকা স্মৃতি: বন্য প্রাণী সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী, ডলফিন রক্ষার দায়িত্ব বন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের। আগে এই উপকূলে ডলফিন রক্ষার ব্যাপারে তেমন তৎপরতা ছিল না। তবে একের পর এক ডলফিন মারা যাওয়ার খবরে বন বিভাগ ৯ সেপ্টেম্বর লতাচাপলী ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে, ১০ সেপ্টেম্বর কুয়াকাটা পৌর মিলনায়তনে এবং ১১ সেপ্টেম্বর কুয়াকাটার রাখাইন পাড়া কমিউনিটি সেন্টারে জেলেসহ আড়তদারদের নিয়ে সচেতনতামূলক সভা করে।

প্রথম আলো: আপনাকে ধন্যবাদ।

সাগরিকা স্মৃতি: আপনাকেও ধন্যবাদ।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন