বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ ভোর পৌনে পাঁচটার দিকে ঢাকাদক্ষিণ ইউনিয়নের দত্তরাইল মিশ্রপাড়া গ্রামের জ্ঞান সেনের বাড়িতে একদল অস্ত্রধারী ডাকাত হানা দেয়। এরপর ডাকাত দলের সদস্যরা জ্ঞান সেন ও তাঁর স্ত্রীকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে বেঁধে ফেলে। এ সময় বাধা দিলে ডাকাতেরা জ্ঞান সেনের ছেলে দুলাল সেনকে মারধর করে। এরপর ডাকাত দলটি ওই বাড়ি থেকে এক হাজার ডলার, নগদ দুই লাখ টাকা, পাঁচ ভরি সোনা, ক্লোজড সার্কিট টেলিভিশন (সিসিটিভি) ক্যামেরাসহ আরও বেশ কিছু মালামাল লুট করে নিয়ে যায় বলে ওই পরিবারের দাবি।

এদিকে ডাকাতির ঘটনা জানতে পেরে পশ্চিম দত্তরাইল জামে মসজিদ থেকে কয়েকজন মাইকে ঘোষণা দেন। খবর পেয়ে গ্রামবাসী তাৎক্ষণিকভাবে ডাকাতদের ধাওয়া করে। এ সময় ডাকাতদের ছোড়া গুলিতে পাঁচ গ্রামবাসী আহত হন। এরপর গ্রামবাসী কয়েকটি দলে বিভক্ত হয়ে ডাকাতদের ধাওয়া করে। এ সময় সন্দেহভাজন একজনকে আটক করে গ্রামবাসী গণপিটুনি দেয়। এতে ওই ব্যক্তি গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায়।

সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আহত ব্যক্তিদের সঙ্গে থাকা দুই গ্রামবাসী প্রথম আলোকে বলেন, ডাকাত দলকে ধাওয়া করে একজনকে আটক করার পর তার কাছে লুটে নেওয়া কিছু মালামাল পাওয়া যায়। এতে এলাকাবাসীর সন্দেহ হয়। এরপর তাঁরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওই ব্যক্তিকে মারধর করেন।

সিলেট জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গণমাধ্যম) লৎফুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ঘটনার পর থেকে ঘটনাস্থলে পুলিশ অবস্থান করছে। ডাকাত দলকে আটক করতে সেখানে অভিযান চলছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ডাকাতির কিছু মালামাল ও অস্ত্র উদ্ধার করেছে।

এদিকে গোলাপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুনুর রশীদ চৌধুরী মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, নিহত ব্যক্তির পরিচয় ও পালিয়ে যাওয়া ডাকাতদের ধরতে ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকায় সাঁড়াশি অভিযান চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন