বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ কর্মসূচির আওতায় পর্যায়ক্রমে ডিইপিজেডের ৯৭টি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের ৮৫ হাজার শ্রমিককে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা দেওয়া হবে। টিকাদানের প্রথম দিনে এক হাজার মানুষকে টিকা দেওয়া হয়। আগামীকাল সোমবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত প্রতিদিন ১৫ হাজার এবং শনিবার থেকে প্রতিদিন ১ হাজার মানুষকে টিকা দেওয়া হবে। সকাল নয়টা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত টিকাদান কর্মসূচি চলবে।

টিকা নিতে আসা ঝরনা আক্তার প্রথম আলোকে বলেন, ‘চাকরি করি। এত দিন টিকা নেওয়ার সময় পাইনি। এইখানে ব্যবস্থা করায় ভালো হয়েছে। টিকা নিচ্ছি। এখন মনে একটু সাহসও পাব।’

সিভিল সার্জন আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান বলেন, ‘মাঠপর্যায় থেকে আমরা সবাইকে করোনা টিকার আওতায় আনতে এ কর্মসূচি পালন করছি। ডিইপিজেড একটি শ্রমঘন এলাকা। কাজের জন্য অনেকেই টিকা নিতে পারেননি। এ ছাড়া অন্যত্র টিকা নিতে গিয়ে তাঁদের কর্মঘণ্টা যেন নষ্ট না হয়, তাই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আমাদের মূল লক্ষ্য, সব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে টিকি আওতায় আনা।’ তিনি আরও বলেন, ডিইপিজেডের বাইরে যেসব শিল্পপ্রতিষ্ঠান আছে, সেগুলোর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের টিকা নিশ্চিত করতে কাজ করা হচ্ছে।

ডিইপিজেডের মহাব্যবস্থাপক আবদুস সোবহান বলেন, এ উদ্যোগের মধ্য দিয়ে শতভাগ শ্রমিক, কর্মকর্তা-কর্মচারীকে টিকার আওতায় আনার বিষয়টি নিশ্চিত করা হবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে উৎপাদনব্যবস্থা চালু রাখায় করোনায় ডিইপিজেডের কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারী মারা যাননি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন