বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আজ রোববার বিকেলে কাজী জাহিদুর রহমানের আইনজীবী হাসনাত বেগ প্রথম আলোকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, মামলার অভিযোগ গঠনের দিন ছিল রোববার। মামলার গুণাগুণ পর্যালোচনা করে তাঁকে অভিযোগ থেকে প্রথম দিনই অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত। বিজ্ঞ আদালতের বিচারক মনে করেছেন, যে অভিযোগে মামলাটি করা হয়েছিল, তা সাইবার ট্রাইব্যুনালের ফ্রেমে হয়নি।

কাজী জাহিদুর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক। গত ১৭ জুন রাজশাহী শহরের সাগরপাড়ার বাসিন্দা আইনজীবী তাপস সাহা মতিহার থানায় তাঁর বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২৫, ২৯ ও ৩১ ধারায় মামলা করেন।

মামলায় মোহাম্মদ নাসিমকে নিয়ে মানহানিকর তথ্য প্রচারের অভিযোগ আনা হয়। ওই দিন রাতেই জাহিদুর রহমানকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আবাসিক কোয়ার্টার থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়।

গত ২৩ আগস্ট হাইকোর্টের বিচারপতি এনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের যৌথ বেঞ্চ কাজী জাহিদুরের জামিন আদেশ দেন। পরে ২৮ আগস্ট তিনি রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পান।

শিক্ষক জাহিদুর রহমান নড়াইল জেলা আওয়ামী লীগের সদ্য বিলুপ্ত কমিটির তথ্য ও গবেষণা সম্পাদকের পদে ছিলেন। নাসিমকে ইঙ্গিত করে ফেসবুকে লেখার পর গত ১৬ জুন তাঁকে নড়াইল জেলা আওয়ামী লীগের প্রাথমিক সদস্যপদ থেকেও বহিষ্কার করা হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন