বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বক্তারা বলেন, টিসিবির দায়িত্ব সাধারণ মানুষকে মূল্যবৃদ্ধির কশাঘাত থেকে সুরক্ষা দেওয়া। কিন্তু সুরক্ষার বদলে টিসিবি নিজেই একটি মুনাফালোভী বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের মতো আচরণ করছে। দেশ যে দুর্ভিক্ষের দিকে এগোচ্ছে, তা টিসিবির পণ্য কিনতে মানুষের দীর্ঘ সারিই দেখেই স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে।

বক্তারা বলেন, বিপিসিকে তেল আমদানি করতে তিন ধরনের শুল্ক ও ট্যাক্স প্রদান করতে হয়, যা কমালে তেলের দাম কমানো সম্ভব। কিন্তু সরকার জনগণের পকেট কাটার দিকেই বেশি মনোযোগী।

সমাবেশ বক্তারা আরও বলেন, ডিজেল ও কেরোসিন লিটারপ্রতি ৬৫ টাকা থেকে ১৫ টাকা বাড়িয়ে ৮০ টাকা এবং টিসিবি লিটারপ্রতি সয়াবিন তেল ১০ টাকা, চিনি ও ডাল কেজিপ্রতি ৫ টাকা বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। করোনা মহামারি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষ এমনিতেই দিশেহারা, সরকার জনগণের পাশে থাকবে কি, উল্টো সরকার ডিজেল ও কেরোসিনের মূল্যবৃদ্ধি ঘটিয়ে যাত্রী ও পণ্য পরিবহন এবং কৃষিতে সেচের খরচ বৃদ্ধি করল। এর ফলে দেশের প্রায় ৯৫ ভাগ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন গণসংহতি আন্দোলন বরিশাল জেলার আহ্বায়ক দেওয়ান আবদুর রশীদ। সঞ্চালনা করেন সদস্যসচিব সাকিবুল ইসলাম। আরও বক্তব্য রাখেন গণসংহতি আন্দোলন বরিশাল সদর উপজেলার সদস্যসচিব ইয়াসমিন সুলতানা, সদস্য মো. সোহাগ, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগঠক জামান কবির, ছাত্র ফেডারেশন বরিশাল জেলার সভাপতি মো. জাবের প্রমুখ।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন