বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

উৎপল কুমার চন্দ বলেন, ওই রোগীর ডেঙ্গু হেমোরজিক ফিভার ছিল। তাঁর প্লাটিলেট কমে গিয়ে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হয়। অর্থাৎ ডেঙ্গু জ্বরে প্রধান যে দুটি জটিলতা হতে পারে, তার দুটিই ছিল ওই রোগীর।

এদিকে খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, রোববার সকাল আটটা থেকে সোমবার সকাল আটটা পর্যন্ত বিভাগের ১০ জেলায় নতুন করে ৩ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। তাঁরা যশোর, ঝিনাইদহ এবং খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। সব মিলিয়ে বিভাগে বর্তমানে ছয়জন রোগী ডেঙ্গু নিয়ে চিকিৎসাধীন আছেন। এ ছয়জনের মধ্যে খুলনা মেডিকেল কলেজে দুজন, ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে দুজন এবং যশোর ও নড়াইল হাসপাতালে একজন করে রয়েছেন।

গত জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত খুলনা বিভাগে মোট ৪৩ জন রোগী ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়া ৪৩ জনের মধ্যে যশোরে চিকিৎসাধীন ছিলেন ২৫ জন, খুলনা ও কুষ্টিয়ায় ১ জন করে, নড়াইলে ৫ জন, ঝিনাইদহে ২ জন এবং খুলনা মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে ৯ জন চিকিৎসা নিয়েছেন। আর ডেঙ্গুতে এখন পর্যন্ত ৩৬ জন সুস্থ হয়েছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন