আগামীকাল মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) রাজকুমারী ম্যারি এলিজাবেথ রিসোর্ট থেকে সড়কপথে যাবেন ৪৫ কিলোমিটার দূরে উখিয়ার কুতুপালং (ক্যাম্প-৫) রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশ্রয়শিবিরে। রাজকুমারীর সফর নিয়ে কঠোর নিরাপত্তা জোরদার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। বিমানবন্দর ও রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রবেশাধিকারও সংরক্ষিত রাখা হয়েছে।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি) কার্যালয়ের অতিরিক্ত কমিশনার মো. সামছু-দ্দৌজা প্রথম আলোকে বলেন, মঙ্গলবার সকালে কুতুপালং আশ্রয়শিবিরে পৌঁছে ডেনমার্কের রাজকুমারী সেখানকার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পর্যবেক্ষণ করবেন। উখিয়া ও টেকনাফের ছয় হাজার একরের বেশি পাহাড় ও বনাঞ্চল উজাড় করে গড়ে তোলা আশ্রয়শিবিরের পরিবেশ রক্ষায় সেখানে বনায়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে ডেনিশ রিফিউজি কাউন্সিল (ডিআরসি) নামে একটি বিদেশি সংস্থা। রাজকুমারী ডিআরসির পরিবেশ পুনরুদ্ধার কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের পর সেখানে বৃক্ষ রোপণ করবেন। পাশাপাশি রোহিঙ্গা পরিস্থিতি নিয়ে বেশ কিছু রোহিঙ্গা নারী-পুরুষ ও স্থানীয় লোকজনের সঙ্গেও কথা বলার কথা রয়েছে রাজকুমারীর। তবে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনের সরকারি কর্মকর্তা ও ক্যাম্প ইনচার্জদের সঙ্গে রাজকুমারীর বৈঠকের সময়সূচি এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

অতিরিক্ত কমিশনার মো. সামছু-দ্দৌজা আরও বলেন, পরদিন বুধবার রাজকুমারী কক্সবাজার থেকে সাতক্ষীরার উদ্দেশে রওনা দেবেন। সেখানে জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করতে রাজকুমারী যাবেন সাতক্ষীরার কুলতী গ্রামে। ওই দিন বুধবার রাতে ইস্তাম্বুলের উদ্দেশে তিনি ঢাকা ত্যাগ করবেন। আজ সোমবার সকালে রাজকুমারী তিন দিনের সফরে বাংলাদেশে আসেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন