default-image

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জের উত্তর ঘনশ্যাম গ্রামের জাকারিয়া বিন হক ওরফে শুভর হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন হয়েছে। আজ রোববার দুপুরে কালীগঞ্জ প্রেসক্লাবের মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলন করা হয়।

জাকারিয়া বিন হক একটি মুঠোফোন কোম্পানির আঞ্চলিক বিপণন ব্যবস্থাপক ছিলেন। তিনি চাকরির সুবাদে ঢাকার মোহাম্মদপুরের তাজমহল রোডে স্ত্রী শেহনীলা নাজকে নিয়ে বাস করতেন। ৯ মাস আগে তাঁরা ভালোবেসে বিয়ে করেন।

বিজ্ঞাপন
গত ২৪ সেপ্টেম্বর ঢাকার তাজমহল রোডের বাসা থেকে জাকারিয়ার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পরদিন তাঁর স্ত্রী শেহনীলা নাজ, শাশুড়ি আছমা বেগমসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন বোন হাসিনা বিনতে হক।

সংবাদ সম্মেলনে জাকারিয়ার মা নুর জাহান হক বলেন, বিয়ের পর থেকে জাকারিয়া তাঁর স্ত্রী ও শাশুড়ির চাপে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ কমিয়ে দেন। জাকারিয়া অনেক সময় বিভিন্ন বিষয়ে তাঁর স্ত্রী ও শাশুড়ির সঙ্গে দ্বিমত করতেন, প্রতিবাদ করতেন। এ নিয়ে তাঁদের মধ্যে সমস্যা ছিল। এর জেরে জাকারিয়াকে তাঁর স্ত্রী ও শাশুড়ি হত্যা করে আত্মহত্যার নাটক সাজিয়েছেন।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে নুর জাহান হক বলেন, ‘জাকারিয়ার মরদেহ পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর থেকে তাঁর স্ত্রী ও শাশুড়ি আমাদের সঙ্গে আর যোগাযোগ করেননি। তাঁরা হাসপাতালেও যাননি। মরদেহ কালীগঞ্জের বাড়িতে দাফন করার জন্য নিয়ে আসা হলে তাঁরা কেউ আসেননি।’

সংবাদ সম্মেলনে জাকারিয়ার মামি কেন্দ্রীয় মহিলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক সৈয়দা রাজিয়া মোস্তফা, বোন হাসিনা ইয়াসমিন বিনতে হক, হাসিনা নাজনীন বিনতে হকসহ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

গত ২৪ সেপ্টেম্বর ঢাকার তাজমহল রোডের বাসা থেকে জাকারিয়ার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পরদিন হাসিনা বিনতে হক তাঁর স্ত্রী শেহনীলা নাজ, শাশুড়ি আছমা বেগমসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। পুলিশ এ পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।

এ বিষয়ে কথা বলার জন্য চেষ্টা করেও শেহনীলা নাজ ও আছমা বেগমের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0