default-image

বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলায় ঢাকা থেকে ফেরা পোশাক কারখানার কর্মী দম্পতির করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকালে চিতলমারী উপজেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগ আক্রান্ত দুজনের গ্রামে গিয়ে ওই বাড়িটিসহ আশেপাশের ১১টি বাড়ি লকডাউন ঘোষণা করে লাল পতাকা টাঙিয়ে দিয়েছে।

আক্রান্ত দম্পতির শরীরে উপসর্গ না থাকায় বাড়িতে রেখেই তাঁদের চিকিৎসা দেবে স্বাস্থ্য বিভাগ। স্বাস্থ্য বিভাগ ওই দম্পতির সংষ্পর্শে আসা পরিবারের শিশুসহ দশজনের নমুনা সংগ্রহ করছে।
১১ মার্চ ঢাকায় নমুনা পরীক্ষায় এই দম্পতির করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ে জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ। স্বামীর বয়স ২৫ বছর এবং স্ত্রীর বয়স ২০ বছর।

চিতলমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মারুফুল আলম আজ সকালে এই প্রতিবেদককে জানান, করোনাভাইরাস আক্রান্ত পোশাক কর্মী দম্পতি গত ৯ মে ঢাকা থেকে পার্শ্ববর্তী গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় এক আত্মীয়ের বাড়িতে ওঠেন। পরদিন সেখানের প্রতিবেশীরা তাঁদের ঢাকা থেকে ফেরার বিষয়টি স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগকে জানালে টুঙ্গিপাড়া স্বাস্থ্য বিভাগ তাঁদের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠায়। পরীক্ষার প্রতিবেদন আসার আগেই গতকাল সোমবার বিকেলে তাঁরা নিজ বাড়ি চিতলমারীতে চলে আসেন। তিনি বলেন, 'গতকাল তাঁদের নমুনা পরীক্ষার ফল পজিটিভ আসে।গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া স্বাস্থ্য বিভাগের মাধ্যমে খবর পেয়ে ওই বাড়িটি সহ আশপাশের ১১ টি বাড়ি অবরুদ্ধ করে লাল পতাকা টাঙিয়ে দিয়েছি।'

চিতলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. মামুন হাসান আজ সকালে জানান, করোনাভাইরাসের যেসব উপসর্গ থাকার কথা তা ওই দম্পতির নেই। তাই তাঁদের বাড়িতে আইসোলেশনে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হবে। ওই দুজনের সংষ্পর্শে আসা শিশুসহ দশজনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য খুলনায় পাঠানো হবে।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0