default-image

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ঘ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা বহাল রাখার পক্ষে মত দিয়েছেন অনুষদটির অধিকাংশ শিক্ষক। সোমবার সন্ধ্যায় ভার্চ্যুয়াল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত অনুষদের এক নিয়মিত সভায় এ সিদ্ধান্ত হয় বলে জানিয়েছেন অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক সাদেকা হালিম। একে অনুষদের ‘স্বাতন্ত্র্য বজায় রাখার ব্যাপারে সম্মিলিত সিদ্ধান্ত’ বলে অভিহিত করেছেন সাদেকা হালিম।

গত রোববার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিনস কমিটির এক সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ঘ ইউনিট ও চারুকলা অনুষদভুক্ত চ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা বাতিলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। সভায় উপাচার্য মো. আখতারুজ্জামানের প্রস্তাবের আলোকে এ সিদ্ধান্তটি হয়। উপাচার্য প্রস্তাব করেন, উচ্চমাধ্যমিকে শিক্ষার্থীরা যে তিন ধারায় (বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা) পড়াশোনা করেন, তার আলোকেই তিনটি ইউনিট করে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে ঘ ও চ ইউনিট বন্ধ হবে। সভায় বিষয়টি নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে আলোচনা হয়। সেখানে বেশির ভাগ ডিন উপাচার্যের প্রস্তাবের পক্ষে মত দেন। তবে একাডেমিক কাউন্সিলে আলোচনার পর বিষয়টি চূড়ান্ত হবে।

ডিনস কমিটির রোববারের সভায় উপাচার্যের ওই প্রস্তাবের বিষয়ে আগে থেকে আমরা কিছুই জানতাম না। সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের শিক্ষকেরাও এমন প্রস্তাবে আশ্চর্য হয়েছেন। শিক্ষকদের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে সভা ডাকার চাপ ছিল।
সাদেকা হালিম, ভারপ্রাপ্ত ডিন, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
বিজ্ঞাপন

এই সভার পর সোমবার সন্ধ্যায় সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের সভা ডাকেন ডিন সাদেকা হালিম। ভার্চ্যুয়াল এই সভায় ৬০ জনের বেশি অধ্যাপক যোগ দেন। সাদেকা হালিম প্রথম আলোকে বলেন, ‘সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের স্বাতন্ত্র্য বজায় রেখে ভর্তি পরীক্ষার ইউনিট রাখার ব্যাপারে সভায় সম্মিলিত সিদ্ধান্ত হয়েছে। একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় অনুষদের শিক্ষকেরা আমাদের অনুষদের স্বাতন্ত্র্যের পক্ষেই বক্তব্য রাখবেন।’

সাদেকা হালিম বলেন, ‘ডিনস কমিটির রোববারের সভায় উপাচার্যের ওই প্রস্তাবের বিষয়ে আগে থেকে আমরা কিছুই জানতাম না। সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের শিক্ষকেরাও এমন প্রস্তাবে আশ্চর্য হয়েছেন। শিক্ষকদের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে সভা ডাকার চাপ ছিল। এই সভায় জ্যেষ্ঠ শিক্ষকেরা সুচিন্তিত মতামত দিয়েছেন। অনুষদের স্বাতন্ত্র্যের পক্ষে এই সম্মিলিত সিদ্ধান্তটিই একাডেমিক কাউন্সিলে দেওয়া হবে। শিক্ষকেরা বলেছেন, আমরা বিকল্প খুঁজতে পারি এবং পরীক্ষা-প্রক্রিয়ার আধুনিকীকরণ করতে পারি।’

মন্তব্য পড়ুন 0