বিজ্ঞাপন

বেলা ১১টায় মানববন্ধন শুরু হয়। প্রায় ঘণ্টাখানেক চলা কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, হাফিজুর রহমান আত্মহত্যা করতে পারেন না। একটি মহল তাঁকে পরিকল্পিতভাবে খুন করেছে। সেই খুনের প্রকৃত রহস্য উদ্‌ঘাটনের জন্য একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন তদন্ত কমিটি গঠন করতে হবে।

এতে সভাপতিত্ব করেন ‘বিক্ষুব্ধ নাগরিক সমাজ, কসবা’র আহ্বায়ক সোলেমান খান। কসবা প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নেপাল চন্দ্র সাহার সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ইদ্রিছ ভূঁইয়া, কসবা উপজেলা দুনীতি প্রতিরোধ কমিটির আহ্বায়ক হুমায়ুন কবির, উপজেলা যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক ও কসবা পুরাতন বাজার ব্যবসায়ী কমিটির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম, কসবা পৌরসভার প্যানেল মেয়র আবু জাহের প্রমুখ।

হাফিজুর রহমান ওরফে মাসুদ কসবা উপজেলার খাড়েরা ইউনিয়নের খাড়েরা গ্রামের মজিবুর রহমানের ছেলে। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। তাঁর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ঈদ শেষে ১৫ মে হাফিজুর ঢাকায় চলে যান। রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কার্জন হল এলাকায় বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দেন। ওই রাতেই তাঁর মায়ের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা হয়। এরপর থেকে তাঁকে আর ফোনে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরদিন হাফিজুর রহমানের মা সামসুন্নাহার বেগম কসবা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরে শাহবাগ থানায় তাঁর বড় ভাই হাবিবুর রহমান যোগযোগ করেন। শাহবাগ থানা-পুলিশ মৃত হাফিজুরের একটি ছবি দেখালে হাবিবুর রহমান লাশ শনাক্ত করেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন