বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গতকাল রোববার সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, ঢাকা থেকে বের হওয়ার জন্য ময়মনসিংহ বা গাজীপুরগামী গাড়িগুলো যাচ্ছে কামারপাড়া মোড়ে। আবার আশুলিয়া বা টাঙ্গাইল থেকে ঢাকাগামী গাড়িগুলোও এসে জড়ো হচ্ছে এখানে। এরপর এই দুই এলাকার গাড়িই কামারপাড়া সেতু পার হয়ে ইজতেমা মাঠের সামনে দিয়ে কিছু ময়মনসিংহের দিকে, কিছু গাড়ি টঙ্গী হয়ে ঢাকার দিকে যাচ্ছে। ফলে দুই এলাকার গাড়ির চাপে সড়কে তৈরি হচ্ছে ব্যাপক যানজট। অন্যদিকে আবদুল্লাহপুর থেকে সরাসরি টঙ্গীতে যাতায়াতের কোনো ব্যবস্থা না থাকায় ভোগান্তিতে পড়তে হয় মানুষকে।

বেলা ১১টার মধ্যে অফিসে থাকার কথা। কিন্তু এখন বাজে সাড়ে ১১টা। কিন্তু এখনো গাজীপুরে ঢুকতেই পারলাম না।
আবদুল মতিন, ভুক্তভোগী যাত্রী

রাজধানীর কাওলা থেকে গাজীপুরের ভোগড়া বাইপাস এলাকায় যাবেন মো. আবদুল মতিন নামের একজন। সকাল ৯টায় গাজীপুরের একটি গণপরিবহনে ওঠেন তিনি। এরপর যানজট ঠেলে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আসেন কামারপাড়া এলাকায়। বাসটি তখনো যানজটে আটকা। জানতে চাইলে বিরক্তি নিয়ে আবদুল মতিন বলেন, ‘বেলা ১১টার মধ্যে অফিসে থাকার কথা। কিন্তু এখন বাজে সাড়ে ১১টা। কিন্তু এখনো গাজীপুরে ঢুকতেই পারলাম না।’

এদিকে সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে অনেকটা হিমশিম খাচ্ছে গাজীপুর মহানগর পুলিশ। তারা বলছে, সড়কটিতে বিআরটি প্রকল্পের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে দীর্ঘদিন থেকে। এর মধ্যে নতুন করে যোগ হয়েছে সেতুর ভাঙন। সেতুটির দিকে আগে থেকে নজর দিলে বা মেরামতের কাজ শুরু করলে হঠাৎ করেই সড়কের অবস্থা এত খারাপ হতো না। আর মানুষকেও এত ভোগান্তিতে পড়তে হতো না

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গাজীপুর মহানগর পুলিশের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, ‘করোনার সময় পুরো রাস্তা ফাঁকা ছিল। তখন রাস্তা ঠিক করার একটা বড় সুযোগ ছিল। আমরা তাদের বারবার বলেছি এই সুযোগে রাস্তা ঠিক করতে। আমরা সব ধরনের সহযোগিতা করতেও প্রস্তুত ছিলাম। তারপরও তারা কথা শোনেনি। এখন নতুন করে সেতু ভাঙায় ভোগান্তি আরও বেড়েছে।’

টঙ্গী এলাকায় দুটি সেতু। একটি ময়মনসিংহগামী, অন্যটি ঢাকাগামী যানের জন্য। এর মধ্যে ময়মনসিংহগামী সেতুটি বিআরটি প্রকল্পের কাজের জন্য আগে থেকেই বন্ধ। আর ঢাকাগামী সেতুর মাঝ বরাবর ভাঙন দেখা দেওয়ায় শুক্রবার সকাল থেকে যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে বিকল্প হিসেবে পাশেই তৈরি করা হয়েছে একটি বেইলি সেতু। বর্তমানে ঢাকাগামী গাড়িগুলো বেইলি সেতু হয়ে চলাচল করছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন