বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

লিজ দলিল হস্তান্তর অনুষ্ঠানে সেতু বিভাগের সচিব আবু বকর ছিদ্দীকের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন মুন্সিগঞ্জ-২ আসনের সাংসদ সাগুফতা ইয়াসমিন, পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের পরিচালক শফিকুল ইসলাম, পদ্মা সেতুর নিরাপত্তায় নিয়োজিত সেনাবাহিনীর পক্ষে প্রধান সমন্বয়ক মেজর জেনারেল এফ এম জাহিদ হোসেন।

সেতুমন্ত্রী জানান, আগামী নভেম্বর থেকে পদ্মা সেতুতে কার্পেটিং শুরু করা হবে। আর সামনের বছর জুনের মধ্যে সেতুর কাজ শেষে উদ্বোধন করা হবে। পদ্মা সেতু প্রকল্পের মূল সেতুর কাজ ৯৫ শতাংশ, নদী শাসনের ৮৫ শতাংশ ও মূল প্রকল্পের কাজ ৮৮ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। কাজেই পদ্মা সেতু আর স্বপ্ন নয়, এখন তা বাস্তব।

অনুষ্ঠানে ২০ জনের মধ্যে প্লটের লিজ দলিল হস্তান্তর করা করা হয়। পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের কর্মকর্তাদের সূত্রে জানা গেছে, নদীর দুই প্রান্তে আধুনিক নাগরিক সুবিধাসংবলিত সাতটি পুনর্বাসন কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়েছে। সাতটি পুনর্বাসন কেন্দ্রে মোট ৩ হাজার ১৯টি আবাসিক প্লটের মধ্যে এ পর্যন্ত ২ হাজার ৯৬৩টি প্লট বরাদ্দ হয়েছে। ভূমিহীনদের মধ্যে ৮১৪টি প্লট বিনা মূল্যে বরাদ্দ হয়েছে। মোট ১০০টি বাণিজ্যিক প্লটের মধ্যে এ পর্যন্ত বরাদ্দ হয়েছে ৮১টি প্লট।

প্রকল্প কর্মকর্তাদের সূত্রে আরও জানা যায়, চলতি বছরের আগস্ট পর্যন্ত ২০ হাজার ৭৫৫ ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির মধ্যে সর্বমোট ৭৩৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা অতিরিক্ত সহায়তা বিতরণ করা হয়েছে। প্রকল্পের চারটি পুনর্বাসন এলাকায় চারটি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন করা হয়। পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মাণ প্রকল্পের পাঁচটি পুনর্বাসন সাইটে পাঁচটি স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা, মা ও শিশু স্বাস্থ্যসেবা, স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক পরামর্শ ও কার্যক্রম, টিকাদান কর্মসূচি এবং বিনা মূল্যে ওষুধ দেওয়া হচ্ছে।

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলার স্বেচ্ছায় পুনর্বাসিত হওয়া গ্রামগুলোর মধ্যে (Host Village Facility Improvement Plan) লৌহজং উপজেলার ছয়টি গ্রামে ছয়টি সড়ক নির্মাণ করেছে এলজিইডি। শরীয়তপুরের জাজিরার দুটি গ্রামীণ সড়কের উন্নয়ন করা হয়েছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মাধ্যমে নতুন ১৩টি মসজিদ, ৩টি মসজিদ সংস্কার, ৩টি কবরস্থান নির্মাণ, পানি নিষ্কাশন নালা নির্মাণ, ডাস্টবিন, বাজার শেড, হস্তচালিত টিউবওয়েল স্থাপন করা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন