বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

ফাঁড়ির ইনচার্জের দায়িত্বে থাকা এসআই আকবর হোসেন ভূঁইয়াসহ চারজনকে ১২ অক্টোবর সাময়িক বরখাস্ত ও তিনজনকে প্রত্যাহার করা হয়। ১৩ অক্টোবর পুলিশি হেফাজত থেকে পালিয়ে যান আকবর।

৯ নভেম্বর সিলেটের কানাইঘাট সীমান্ত থেকে আকবরকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে বরখাস্ত কনস্টেবল টিটু চন্দ্র দাস ও হারুন অর রশিদ এবং প্রত্যাহার হওয়া এএসআই আশেক এলাহীকে গ্রেপ্তার করা হয়। হাসানকে গ্রেপ্তার করার মধ্য দিয়ে মামলায় এ পর্যন্ত গ্রেপ্তার হলেন পাঁচজন। এঁরা সবাই পুলিশের বরখাস্ত হওয়া সদস্য। দায়িত্বে অবহেলার দায়ে ঘটনার সময় কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা পরিদর্শক (তদন্ত) সৌমেন মৈত্র ও হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) মামলার প্রথম তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মোহাম্মদ আবদুল বাতেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

মহানগর পুলিশ সূত্র জানায়, আকবরকে পালাতে সহায়তা করার অভিযোগে পুলিশ সদর দপ্তরের একটি তদন্ত কমিটির সুপারিশে বন্দরবাজার ফাঁড়ির ‘টুইআইসি’ উপপরিদর্শক হাসান উদ্দিনকে ২২ অক্টোবর সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল। এরপর থেকে নজরদারির মধ্যে রাখা হয়েছিল হাসানকে। তাঁর বিরুদ্ধে ফাঁড়ির ক্লোজড সার্কিট (সিসি) ক্যামেরার ফুটেজ বিনষ্ট করার অভিযোগ ছিল।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন