বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মাইকেল মধুসূদন দত্ত লিখেছেন, ‘বসুধা নিজ কুন্তলে/পরেছিল কুতূহলে/এ উজ্জ্বল মণি,/রাগে তারে গালি দিয়া,/লয়েছি আমি কাড়িয়া—/মোর কৃষ্ণ-চূড়া কেনে পরিবে ধরণী?’ কবিগুরু রবীন্দ্রনাথের পঙ্‌ক্তি ‘গন্ধে উদাস হাওয়ার মতো উড়ে তোমার উত্তরী/কর্ণে তোমার কৃষ্ণচূড়ার মঞ্জরী।’ জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের গানের চরণ ‘রেশমি চুড়ির তালে কৃষ্ণচূড়ার ডালে/পিউ কাঁহা পিউ কাঁহা ডেকে ওঠে পাপিয়া।’

গত মঙ্গলবার সকালে সরেজমিন দেখা গেছে, কুমিল্লা-সালদা নদী সড়কের কুমিল্লা জেলার আদর্শ সদর উপজেলার বাঁশমঙ্গল এলাকায় সড়কের কিনারায় ফুটেছে কৃষ্ণচূড়া ফুল। দেখে পরান জুড়িয়ে যাবে যেকোনো নিসর্গ প্রেমিকের। কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, কুমিল্লা নগর উদ্যান, কুমিল্লা কেন্দ্রীয় ঈদগাহ, জেলা পুলিশ সুপারের বাংলো, অশোকতলা খান বাড়ি ও কুমিল্লা নগরের রাজগঞ্জ রাজবাড়ি এলাকাতেও গাছে গাছে ফুটে আছে কৃষ্ণচূড়া ফুল। এর বাইরে কুমিল্লার ময়নামতি রণ সমাধিক্ষেত্রের ভেতরে গাছেও ফুটে আছে এই ফুল। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস, জেলার বুড়িচং উপজেলার সাহেব বাজার, কংসনগর, দেবীদ্বার, মুরাদনগরের কোম্পানীগঞ্জ, নগরপাড়, বাঙ্গরা বাজার ও দৌলতপুরের পথে–প্রান্তরে দেখা মিলেছে কৃষ্ণচূড়া ফুলের। কৃষ্ণচূড়াই যেন শহরবাসীর রঙের মহোৎসব।

বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) কুমিল্লা জেলা শাখার সভাপতি মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, তপ্ত রোদে কৃষ্ণচূড়াকে আরও উজ্জ্বল লাগে। আপন মনে গাছে গাছে ফুটেছে কৃষ্ণচূড়া ফুল। গ্রীষ্মের এই ফুল আমাদের মনে প্রফুল্লতা আনে।

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ শামসিল আরেফিন ভূঁইয়া বলেন, ভারতীয় উপমহাদেশের বিভিন্ন দেশে এটি ‘গুলমোহর’ নামে পরিচিত। বাংলাদেশে ওই গাছকে কৃষ্ণচূড়া বলা হয়। এর আদিনিবাস আফ্রিকার মাদাগাস্কার দ্বীপে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন