বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অধীর সিকদার ও মুন রানী মজুমদারের মধ্যে এক বছরের বেশি সময় ধরে সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তবে দুজনের পরিবারের সদস্যরা এই সম্পর্কে মেনে নিতে রাজি ছিলেন না। আবার দুজনেই শিক্ষার্থী। মেয়েটি প্রাপ্তবয়স্ক ছিল না। সব মিলিয়ে ওই দুজনের সম্পর্ক বিয়ের দিকে গড়াতে পারেনি। এ অবস্থায় গতকাল মঙ্গলবার রাতে অধীর ও মুন দুজনেই বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়।

অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাঁদের সন্ধান পাননি পরিবারের সদস্যরা। আজ সকালে গ্রামের মজুমদারপাড়ার একটি জামগাছে অধীরের মৃতদেহ গলায় শাড়ি প্যাঁচানো অবস্থায় ঝুলতে দেখা যায়। ওই গাছেরই নিচে পড়ে ছিল মুন রানী মজুমদারের মৃতদেহ। পারিপার্শ্বিক অবস্থা দেখে এলাকাবাসী ও পুলিশের ধারণা, অধীর গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। আর মুন বিষ পান করে আত্মহনন করেছে।

ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ লুৎফর রহমান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে দুজনের লাশ উদ্ধার করেছে। লাশ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে বিষয়টিকে আত্মহত্যা বলে মনে হয়েছে পুলিশের। এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যুর মামলার প্রস্তুতি চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন