বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

২৮ নভেম্বর অনুষ্ঠেয় তৃতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচনে নায়েরগাঁও উত্তর ইউপির ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। লিখিত অভিযোগকারী ওই চার স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী হলেন নায়েরগাঁও উত্তর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান মোল্লা, ওই ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি রাসেল পাটোয়ারী, ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি আবদুল মান্নান সরকার ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা এনামুল হক।

লিখিত অভিযোগে ওই চার স্বতন্ত্র প্রার্থী অভিযোগ করেন, ৪ নভেম্বর সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী মিজানুর রহমান সেলিম তাঁর বাড়ির সামনের একটি মাঠে কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে সভা করেন। সেখানে বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এক চেয়ারম্যান প্রার্থী ও তাঁদের নাম (চার স্বতন্ত্র প্রার্থী) উল্লেখ করে বলেন, ‘আমার বাহিরে আরও পাঁচজন চেয়ারম্যান প্রার্থী আছে, তাঁদের যেখানেই পাবেন, সেখানেই পিটাইবেন। আমি নির্দেশ প্রদান করলাম। আমি আপনাদের সাথে থাকব। তবে ১১ নভেম্বরের আগে কেউ এই কাজ করবেন না।’

ওই চার স্বতন্ত্র প্রার্থী আরও অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগের ওই চেয়ারম্যান প্রার্থী তাঁদের শুধু হুমকিই দেননি, তাঁর বক্তব্যের অংশটুকু অনুসারীদের দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল করে দেন। এ ছাড়া তিনি নির্বাচনী আচরণবিধি না মেনে যত্রতত্র ভোটের প্রচারণা চালাচ্ছেন। তাঁরা প্রতিপক্ষ প্রার্থীদের নানাভাবে দেখে নেওয়ার হুমকিও দিচ্ছেন। এতে তাঁরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। বিষয়টি পুলিশকেও জানানো হয়েছে।

স্বতন্ত্র প্রার্থী কামরুজ্জামান মোল্লা ও রাসেল পাটোয়ারীর অভিযোগ, দলীয় প্রভাব খাটিয়ে আওয়ামী লীগের ওই চেয়ারম্যান প্রার্থী একতরফাভাবে ভোটে জয়ী হওয়ার নীলনকশা আঁকছেন। তাঁদের সামাজিকভাবে হেয় করছেন।

অভিযোগের ব্যাপারে আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী মিজানুর রহমান সেলিম বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের অভিযোগ ভিত্তিহীন। এটি তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচারমাত্র। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের পেটানোর হুমকি এবং বক্তব্য ভাইরাল করার অভিযোগ সত্য নয়। তবে তাঁর বক্তব্য স্বার্থান্বেষী মহলের কেউ ভাইরাল করতে পারেন।

জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আবু জাহের ভূঁইয়া বলেন, এ-সংক্রান্ত লিখিত অভিযোগ পেয়েছেন। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবেন।
মতলব দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিউদ্দিন মিয়া বলেন, ঘটনাটি জেনেছেন। তবে তাঁর থানায় এ ব্যাপারে কেউ লিখিত অভিযোগ বা সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেননি। অভিযোগ বা জিডি করলে ব্যবস্থা নেবেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন