বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মোহাম্মদ সামছু-দ্দৌজা বলেন, দুর্ঘটনার পর থেকে ক্ষতিগ্রস্ত ২ হাজার ৩০০ রোহিঙ্গাকে প্রতিদিন দুই বেলা করে রান্না করা খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে। এখন প্রতিটি পরিবারের রান্নার জন্য গ্যাস সিলিন্ডারসহ প্রয়োজনীয় আসবাব ও ত্রাণ সরবরাহ করা হচ্ছে। স্থায়ী ঘর নির্মাণ না হওয়া পর্যন্ত রোহিঙ্গারা তাঁবুতে থাকবে। সরকারি তহবিলের এই তাঁবুগুলো বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির স্বেচ্ছাসেবকেরা তৈরি করে দিচ্ছেন।

ধ্বংসস্তূপের পশ্চিমে একটি তাঁবু বরাদ্দ পেয়েছেন রোহিঙ্গা দিল মোহাম্মদ। তবে এখনো টয়লেটের সমস্যা সমাধান না হওয়ায় পরিবারের নারী ও শিশুদের নিয়ে সমস্যায় পড়েছেন তাঁরা। কয়েকজন রোহিঙ্গা নারী বলেন, আপাতত তাঁবুতে মাথা গোঁজার ঠাঁই হলেও তীব্র শীতের রাতে সন্তানদের নিয়ে পাহাড়ি জঙ্গলে যেতে তাঁদের বেশ দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। আসা–যাওয়ার পথে বখাটের আড্ডা থাকে। গোসলের ব্যবস্থাও অপ্রতুল।

পাশের আরেকটি তাঁবুর বাসিন্দা দিলদার বেগম বলেন, ‘এনজিও থেকে সরবরাহকৃত রান্না করা ভাতে পেট ভরে না। নিজের হাতে রান্না করা খাবার কখন খেতে পারব জানা নেই। কেনাকাটার ডিজিটাল কার্ডগুলোও আগুনে পুড়ে গেছে। নগদ টাকা না থাকায় প্রয়োজনীয় জিনিসও কেনা যাচ্ছে না।’

রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি কক্সবাজারের হেড অব অপারেশনস এম এ হালিম বলেন, অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৪০০ পরিবারকে একটি করে তাঁবুর ঘর তৈরি করে দিয়েছে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি। এ পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত রোহিঙ্গাদের মধ্যে দুই হাজার কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন