বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

হাসপাতাল ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার তাবলিগ জামাতের ১৬ সদস্যের একটি দল উপজেলার আসপর্দ্দি গ্রামের আল সেতারা জামে মসজিদে আসেন। সেখানে তাঁদের কয়েক দিন অবস্থান করার কথা ছিল। বৃহস্পতিবার রাতে এশার নামাজ আদায় করে মুসল্লিরা রাতের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। শুক্রবার ভোরে তাঁদের ঘুম থেকে ডেকে তুলতে গিয়ে স্থানীয় লোকজন অচেতন অবস্থায় দেখতে পান। এরপর ১৫ জনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

বৃহস্পতিবার রাতে এশার নামাজ আদায় করে মুসল্লিরা রাতের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। শুক্রবার ভোরে তাঁদের ঘুম থেকে ডেকে তুলতে গিয়ে স্থানীয় লোকজন অচেতন অবস্থায় দেখতে পান।

ওই দলের একজন কম অসুস্থ হওয়ায় তাঁর হাসপাতালে যেতে হয়নি। জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার মোজাহার হোসেন (৫৫) নামের ওই ব্যক্তি প্রথম আলোকে বলেন, রাতে দুর্বৃত্তরা খাবারের সঙ্গে চেতনানাশক মিশিয়ে রেখেছিল বলে তাঁরা ধারণা করছেন। ওই খাবার খেয়ে মুসল্লিরা অচেতন হয়ে পড়লে তাঁদের সঙ্গে থাকা টাকা দুর্বৃত্তরা লুট করে। মোজাহার বলেন, তিনি নিজে রাতে সামান্য একটু খাবার খেয়ে ঘুমিয়েছিলেন। এ জন্য তিনি তেমন অসুস্থ হননি।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি মুসল্লিরা হলেন মো. মোস্তকিম (১৮), মিজানুর রহমান (৫০), হামিদ উদ্দিন (৫৫), ইদুকুল ইসলাম (৬২), ইয়াসিন আলী (৫২), আবদুস সাত্তার (৪০), মোস্তাকিম বকস (৫৯), আবদুস সামাদ (৭১), মো. শফিউল্লা (৬২), জাফর আলী (৬০), শফিউল্লাহ (৭০) আলী আকবর (৫৯) ও হারুনুর রশিদ (২০)। বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি দুজন হলেন আবদুল হান্নান (৬০) ও তাবারক উল্লাহ (৬৩)। তাবলিগ জামাতের এই সদস্যদের বাড়ি নীলফামারী, সুনামগঞ্জ, কক্সবাজার, নোয়াখালী, নওগাঁ ও নেত্রকোনা জেলার বিভিন্ন উপজেলায়।

কাউখালী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান বলেন, বর্তমানে সবাই শঙ্কামুক্ত।

কাউখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বনি আমিন বলেন, চুরির উদ্দেশ্যে নাকি নাশকতার জন্য এমন ঘটনা ঘটিয়েছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন