বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তৈমুর আলম বলেন, ‘২০১১ সালে ভোটের ৫ ঘণ্টা আগে দলের সিদ্ধান্তে নির্বাচন থেকে সরে যাই। কিন্তু দলকে আজ পর্যন্ত প্রশ্ন করিনি, কেন আমাকে সরিয়ে দেওয়া হলো? এতে জাতির কোনো উপকার হয়েছে কি না! তবে সরকারদলীয় প্রার্থী মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। নৌকার প্রার্থী মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। অনেকে মনে করতে পারেন, এইবার নৌকার প্রার্থীকে জয়লাভ করার জন্য আমাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তাঁরা এমনটা মনে করতে পারেন। কিন্তু আমি মনে করি, আমার দল আমার উপকার করেছে। আমি ব্যাক টু দ্য প্যাভিলিয়ন। আমি রাস্তার মানুষের পাশে ছিলাম, বস্তিতে বস্তিতে ছিলাম, সেখানেই ঘুরে বেড়াব। আমি রাজপথ ছাড়িনি। এখনো জনগণের সঙ্গে রাজপথে আছি।’

বিএনপির নেতা-কর্মীরা পাশে থাকবেন কি না, তাঁদের ভোট পাবেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে প্রবীণ এই নেতা বলেন, ‘যারা বিএনপিতে ভোট দেন, তাঁরা কি নৌকায় ভোট দেবেন? দলের যাঁরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তাঁরা কি মনে করেন নৌকার প্রার্থীকে পাস করানোর জন্য তাঁরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন?’ তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচনে থাকার জন্য যেকোনো স্যাক্রিফাইস করার জন্য আমি প্রস্তুত। আমি ২০১১ সালে দলের কথায় নিজেকে আত্মহুতি দিয়েছি। এইবার ২০২২ সালে এসে জনগণের জন্য নিজেকে উৎসর্গ করলাম।’ তিনি মনে করেন, বিএনপির পরীক্ষিত লোকজন তাঁর সঙ্গেই আছেন। তাঁরা তাঁকে ছেড়ে যাননি। কর্মীদের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক টুকরো হবে না। তিনি কোনো দিন কর্মীদের সঙ্গে বেইমানি করেননি।’

এর আগে আজ বিকেলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে তৈমুর আলম খন্দকারকে দলের পদ থেকে প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। এরপর তৈমুর দলের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে নির্বাচনের মাঠে থাকার ঘোষণা দিয়েছেন।

এর আগে গত ২৫ ডিসেম্বর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির পদ থেকে তৈমুরকে সরিয়ে দিয়ে প্রথম যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরুল ইসলামকে ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়কের দায়িত্ব দেয় বিএনপি।

নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ দলীয় মেয়র প্রার্থী সেলিনা হায়াৎ আইভী, স্বতন্ত্র থেকে মেয়র পদে তৈমুর আলম খন্দকারসহ সাত প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন