বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নিখোঁজ এক ছাত্রীর বাবা বলেন, ‘পুরো মাদ্রাসা তালাবদ্ধ থাকে। সেখান থেকে পালিয়ে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। তালাবদ্ধ মাদ্রাসা থেকে তিনটা মেয়ে পালাল কীভাবে? তিন দিন পেরিয়ে যাচ্ছে, তারপরও তাদের কোনো সন্ধান দিতে পারছে না কেউ। আত্মীয়স্বজনসহ সব জায়গায় খোঁজা শেষ। তারা জীবিত আছে কি না, সেটাও তো জানতে পারছি না। তারা ছোট মানুষ। একা একা গেলে আর কত দূর পর্যন্ত যেতে পারত? তাদের সঙ্গে কিছু একটা হয়েছে।’

তারা জীবিত আছে কি না, সেটাও তো জানতে পারছি না। তারা ছোট মানুষ। একা একা গেলে আর কত দূর পর্যন্ত যেতে পারত?
নিখোঁজ ছাত্রীর বাবা

জামালপুরের জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার (ইসলামপুর সার্কেল) মো. সুমন মিয়া প্রথম আলোকে বলেন, পুলিশের একাধিক দল মাঠে কাজ করছে। বিভিন্ন জায়গায় অভিযান হচ্ছে। নানা রকম ‘ক্লু’ ধরে তাদের অবস্থান চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে। তাদের উদ্ধারে পুলিশের কোনো ধরনের চেষ্টার ত্রুটি নেই। দ্রুত সময়ের মধ্যেই তাদের উদ্ধারের চেষ্টা করা হচ্ছে।

গত সোমবার ভোরে উপজেলার গোয়ালেরচর দারুত তাক্কওয়া মহিলা মাদ্রাসার দ্বিতীয় শ্রেণির ওই তিন শিক্ষার্থী মাদ্রাসা থেকে নিখোঁজ হয়। এ ঘটনায় এক ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে থানায় মামলা করলে মাদ্রাসার পরিচালক মো. আসাদুজ্জামান, সহকারী শিক্ষক ইলিয়াস আহম্মেদ, রাবেয়া বেগম ও শুকরিয়া পারভীনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন