বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সরেজমিন দেখা গেছে, কামলাবাজার গ্রামের সেতুর বেশির ভাগ স্থানের রেলিং নেই। সেতুটির মধ্যবর্তী কিছু অংশ ভেঙে গেছে। খুঁটিতে ফাটল ধরেছে। ভাঙা স্থানে বেশ কয়েকটি ব্লক দেওয়া হয়েছে। নতুনপাড়া গ্রামের সেতুর রেলিং ভেঙে গেছে। আর মধ্যবাজারের সেতুটির পূর্ব পাশে পাটাতন দেবে গেছে। খুঁটির গোড়ায় ফাটল ধরেছে। তিনটি সেতু দিয়ে ভারী যানবাহন চলাচল নিষিদ্ধ। এলজিইডি এ–সংক্রান্ত সাইনবোর্ড টাঙিয়ে দিয়েছে। মধ্যবাজার সেতুতে ওঠার মুখে লাল পতাকা ও বাঁশ ফেলে রাখা হয়েছে; কিন্তু লোকজন তারপরও সেতু দিয়ে হেঁটে পারাপার হচ্ছে।

স্থানীয় ব্যক্তিরা বলেন, সেতুগুলোর ওপর দিয়ে প্রতিদিন রিকশা, ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক, মোটরসাইকেল, ঠেলাগাড়িসহ ছয় শতাধিক যানবাহন চলাচল করে। এলজিইডির পক্ষ থেকে মাসখানেক আগে সেতু তিনটিকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করে হয়। বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায়, এলাকার লোকজন বাধ্য হয়ে এসব সেতু দিয়ে চলাচল করছে। কামলাবাজ গ্রামের সেতু দিয়ে সেলবরষ ও পাইকুরাটি ইউনিয়নের ১৫টি গ্রামের মানুষ উপজেলা সদরে আসা-যাওয়া করে। এলজিইডি সেতুটির এক পাশে বিকল্প মাটির সড়ক নির্মাণকাজ করছে। এটি না করা হলে তাদের দেড় কিলোমিটার ঘুরে উপজেলা সদরে যেতে হবে।

উপজেলা প্রকৌশলী মো. আরিফ উল্লাহ খান বলেন, মধ্যবাজারের সেতুটি উড়ালসড়কের আওতায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। কামলাবাজার গ্রামের সেতুটি পুনর্নির্মাণ করা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন