বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গত রোববার দুপুরে সরেজমিনে দেখা গেছে, সড়কের কে এম লতিফ মসজিদসংলগ্ন মার্কেটের সামনে দুটি, ফজলুল হকের বাড়ির সামনে একটি, জাহাঙ্গীর কমিশনারের বাড়ির সামনে একটি, নূর হোসেন খানের ঘের এলাকায় দুটি, সাওজাল বাড়ির সামনে, আলম মাস্টার, আবদুল খালেক ও আবুল বাশারের বাড়ির সামনে সড়ক ভেঙে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এ ছাড়া পুরো সড়কজুড়ে রয়েছে অসংখ্য গর্ত। পিচ, ইটের খোয়া উঠে গিয়ে গর্তের বালু বের হয়ে গেছে।

ভাড়ায়চালিত মোটরসাইকেল চালক আমির হোসেন বলেন, ডাকবাংলো এলাকা থেকে সড়কটি দিয়ে টিকিকাটা ইউনিয়নের দধিভাঙ্গা বাজার পর্যন্ত যানবাহন চলাচল করে। পৌরসভার তিন কিলোমিটার অংশে শতাধিক ছোট-বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। সড়কের গর্তে গাড়ির চাকা আটকে গিয়ে দুর্ঘটনা ঘটছে।

মঠবাড়িয়া পৌরসভার সবুজনগর গ্রামের বাসিন্দা সোহাগ গাজী বলেন, সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন কয়েক হাজার মানুষ উপজেলা সদরে যাতায়াত করেন। পৌরসভা বেহাল সড়কটি সংস্কারের কোনো উদ্যোগ নেয়নি। স্থানীয় বাসিন্দারা কয়েকবার সড়কের গর্তে ইটের খোয়া ফেলে যান চলাচলের ব্যবস্থা করেছিল। কিন্তু ভারী যানবাহন চলাচল করায় আবার সড়কে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।

ডাকবাংলো সড়কের ব্যবসায়ী মো. রনি বলেন, সড়কটি বেহাল হওয়ায় রিকশাচালকেরা এ সড়কে ভাড়া নিয়ে যেতে চান না। গেলেও বেশি ভাড়া চান।

মঠবাড়িয়া পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী আবদুস সালেক বলেন, সড়কটির ডাকবাংলো থেকে পৌরসভার অংশ সংস্কারের জন্য উপকূলীয় শহর অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালকের কাছে একটি প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু প্রকল্পটি অনুমোদন না হওয়ায় সড়কটি সংস্কার করা সম্ভব হয়নি। পৌরসভার তহবিলেও সড়কটি সংস্কার করার মতো টাকা নেই।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন