বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে খালিদুল ইসলাম জানান, ভোট গ্রহণের আগের রাতে ৯ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব হরিদেবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে দায়িত্বরত প্রিসাইডিং কর্মকর্তাকে সরিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর পছন্দের লোককে দায়িত্ব দেওয়া হয়। এ ছাড়া ১ নম্বর ওয়ার্ডের গজালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র ও ২ নম্বর ওয়ার্ডে উত্তর-পূর্ব গজালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে ভোট গণনার আগে তাঁর এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়। ভোট গণনার পর তিনি ৮২ ভোটে পরাজিত হয়েছেন বলে ঘোষণা দেওয়া হয়।

খালিদুল ইসলাম জানান, ২ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটকেন্দ্রে নৌকার ভোট দেখানো হয়েছে ৩৮টি। অথচ ওই ভোটকেন্দ্রে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের কমিটির ৬৫ জন সদস্য রয়েছেন। তাঁর নিকটাত্মীয়ের ভোট রয়েছে ১২০টি। তাঁরা সবাই নৌকায় ভোট দিয়েছেন। তাহলে এ ভোটগুলো গেল কোথায়?

খালিদুল ইসলাম জানান, তিনটি ভোটকেন্দ্রে ব্যাপক অনিয়ম করে ফলাফল পরিবর্তন করে তাঁকে হারানো হয়েছে। ভোট পুনর্গণনা করলে প্রকৃত প্রাপ্ত ভোটের সঠিক তথ্য বেরিয়ে আসবে। তাই ইউনিয়নের তিনটি কেন্দ্রে ভোট পুনর্গণনার দাবি জানান তিনি।

গজালিয়া ইউপি নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর হোসেন পুনরায় ভোট গণনার আবেদন পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। বিষয়টি তাঁরা দেখছেন বলে জানান তিনি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন