বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

শনিবার বিকেলে চট্টগ্রামের বহদ্দারহাটে র‌্যাব-৭ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে জলদস্যুদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি জানান র‍্যাব-৭–এর অধিনায়ক লে. কর্নেল এম এ ইউসুফ। তিনি বলেন, আট জলদস্যুর কাছ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র, গোলাবারুদ, লুণ্ঠিত জাল ও একটি ট্রলার উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া পাওয়া যায় ৩টি ওয়ান শুটারগান, ১টি দোনলা বন্দুক, ৩টি একনলা বন্দুক, ১১টি গুলি ও ৫টি দেশি ধারালো ছুরি।

র‌্যাবের ভাষ্যমতে, বাঁশখালী, চকরিয়া, পেকুয়া, কুতুবদিয়া ও মহেশখালী এলাকার সংঘবদ্ধ জলদস্যু ও আন্তজেলা ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য এই আটজন। তাঁরা বাঁশখালী, কুতুবদিয়া ও পেকুয়া এলাকা থেকে ট্রলারে সাগরপথে কুতুবদিয়া চ্যানেলে ডাকাতির প্রস্তুতি নেওয়ার সময় গ্রেপ্তার হন।

এম এ ইউসুফ জানান, গ্রেপ্তার জলদস্যুদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ডাকাতি ও ডাকাতির প্রস্তুতি ও অস্ত্র আইনে মামলা করা হবে।

র‍্যাবের জালে আরও যাঁরা

গ্রেপ্তার অন্য জলদস্যুরা হলেন কুতুবদিয়ার দক্ষিণ ধুরুং এলাকার নুরুল বশর (৩২), চকরিয়ার মাইজঘোনার শহিদুল ইসলাম (২৮), চকরিয়ার রামপুর এলাকার নেজাম উদ্দিন (২৯), কুতুবদিয়ার পূর্ব তাবলর চরের ছলিম উল্লাহ ওরফে বাবুল (৫৫), চকরিয়ার ছৈনাম্মার ঘোনার জিয়াবুল হক ওরফে জিকু (৫০)।

র‍্যাব বলছে, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের উপকূলীয় অঞ্চলের জলদস্যু বাহিনী কিছুদিন গা ঢাকা দিয়ে থাকার পর আবার সক্রিয় হয়েছে। তারা লবণচাষি ও সাগরের জেলেদের ওপর চাঁদাবাজি ও অপহরণসহ বিভিন্ন নির্যাতন চালাচ্ছিল বলে অভিযোগ ছিল। এ পরিপ্রেক্ষিতে র‌্যাব অভিযান চালায়।

র‍্যাব সূত্র আরও জানায়, কালু ওরফে গুরা কালুর বিরুদ্ধে কুতুবদিয়া থানায় অস্ত্র, ডাকাতি ও মাদকসংক্রান্ত ১০টি মামলা রয়েছে। আজিজুল হকের বিরুদ্ধে মহেশখালী ও পেকুয়া থানায় অস্ত্র, ডাকাতি, মাদকসংক্রান্ত মামলা রয়েছে তিনটি। সাহাব উদ্দিনের বিরুদ্ধে কুতুবদিয়া থানায় অস্ত্র, ডাকাতি ও মাদকসংক্রান্ত ৬টি মামলা রয়েছে। নুরুল বশরের বিরুদ্ধেও কুতুবদিয়া থানায় একটি অস্ত্র মামলা আছে।

এ ছাড়া শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে চকরিয়া থানায় অস্ত্র ও ডাকাতিসংক্রান্ত ২টি মামলা, নেজাম উদ্দিনের বিরুদ্ধে চকরিয়া থানায় অস্ত্র ও ডাকাতিসংক্রান্ত ৩টি মামলা ও ছলিম উল্লাহর বিরুদ্ধে কুতুবদিয়া থানায় অস্ত্র, ডাকাতি এবং মাদকসংক্রান্ত ১৫টি মামলা রয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন