এ ঘটনায় রোববার মারধরের শিকার তিন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীর বড় ভাইয়ের মেয়ে বাদী হয়ে ফুলগাজী থানায় শাকিল আহমেদ ও অজ্ঞাতনামা পাঁচ-ছয়জনকে আসামি করে লিখিত অভিযোগ দেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বাদীর বাবা আবদুল হাই ও একই বাড়ির ফটিক মিয়ার সঙ্গে বাড়ির সীমানা নিয়ে ঝগড়ার একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ সময় ফটিক মিয়া তাঁর মামা শামছুল হুদাকে খবর দেন। পরে শামছুল হুদা তাঁর ছেলে শাকিল আহমেদসহ পাঁচ-ছয়জনকে নিয়ে এসে ওই চারজনকে হকিস্টিক দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে আহত করেন।

জানতে চাইলে ওই ইউনিয়নের ছাত্রলীগের সভাপতি জাহিদুল ইসলাম বলেন, শাকিল আহমেদের ইউনিয়ন বা ওয়ার্ড কমিটিতে কোনো পদ নেই। কিন্তু মাঝেমধ্যে মিটিং-মিছিলে আসেন।

আহত চারজন রোববার দুপুরে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা শোয়েব ইমতিয়াজ। তিনি বলেন, সন্ধ্যায় কিছুটা সুস্থ বোধ করায় তাঁদের ওষুধপত্র দিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

ফুলগাজী সদর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. সেলিম বলেন, ভুক্তভোগী পরিবারটি মারধরের বিষয়টি তাঁকে মৌখিকভাবে জানিয়েছে।

জানতে চাইলে অভিযুক্ত শামছুল হুদা বলেন, ‘দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীরাও আমাদের মারধর করেছেন। আমরাও মারধর করেছি।’

এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ফুলগাজী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ মঈন উদ্দীন। তিনি বলেন, তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন