বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার দুপুরে পরিবারের অন্য সদস্যদের নিয়ে তিস্তা ব্যারাজ এলাকায় ঘুরতে এসেছেন যুবক আজিমুদ্দিন ও তাঁর স্ত্রী রণিকা বেগম। তাঁদের বাড়ি লালমনিরহাটের কালীগঞ্জের তুষভান্ডার ইউনিয়নের চর কাঞ্চন স্বর এলাকায়। আজিমুদ্দিন বলেন, ‘করোনা সংকটের কারণে গত দুই বছরে ঈদ আনন্দ তেমন একটা হয়নি। এবার তো সেই সমস্যা নেই, তৃতীয় দিনেও ভিড় একটু কম হবে, এই ভেবে ঘুরতে এসেছি।’

পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলা থেকে তিস্তা ব্যারাজ এলাকায় ঘুরতে এসেছেন সুজন ইসলাম ও রনি ইসলাম নামের দুই তরুণ। বৃহস্পতিবার দুপুরে কথা হয় তাঁদের সঙ্গে। তাঁরা জানান, তিস্তা ব্যারাজের নাম প্রতিবছর বন্যার সময় পত্রিকায় পড়েন, টিভিতে দেখেন। এবার ঈদের ছুটিতে সরাসরি দেখতে তাঁরা ছুটে এসেছেন। এখানে এসে বেশ ভালো লেগেছে তাঁদের। আগামী বছর এখানে আবার আসার ইচ্ছা আছে।

ঝালমুড়ি-চানাচুর ও আচার বিক্রেতা শরিফুল ইসলাম বলেন, ঈদের তিন দিনে ১০ হাজার টাকার ওপরে বিক্রি হয়েছে। এর মধ্যে তিন থেকে চার হাজার টাকা লাভ হবে। করোনার কারণে গত দুই বছরে ঈদে তেমন একটা বেচা হয়নি। এবার পুষিয়ে যাচ্ছে।
বাহারি খেলনা বিক্রি করে ভালো ব্যবসা হয়েছে বলেও জানালেন খেলনা বিক্রেতা সুভাষ চন্দ্র রায়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন