বিজ্ঞাপন

আজ সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বাংলাবাজার ফেরিঘাটের ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক (টিআই) জামালউদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, স্রোত বেশি থাকায় রাতে চার-পাঁচটি ফেরি চলে। এ কারণে রাতের চাপ সকালে আরও তীব্র হয়েছে। বাংলাবাজার ঘাটে পারাপারের জন্য অপেক্ষমাণ আছে সাত শতাধিক গাড়ি। এর মধ্যে ১৪০টি গরু বোঝাই ট্রাক, ১৫০টি যাত্রীবাহী বাস এবং ২০০টির বেশি ছোট গাড়ি। এ ছাড়া কাভার্ড ভ্যান, পণ্যবাহী ট্রাক মিলিয়ে আরও ২০০ গাড়ি আটকা পড়েছে।

সকালে সরেজমিনে বাংলাবাজার ফেরিঘাটে দেখা যায়, ঘাটে যানবাহনের চাপ থাকায় প্রায় এক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। ঘাটের টার্মিনাল, সংযোগ সড়ক কোথাও খালি নেই। আটকা পড়া কয়েক শ যানবাহনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ছোট গাড়ি, গরু বোঝাই ট্রাক ও যাত্রীবাহী বাস।

default-image

খুলনা থেকে আসা গরু বোঝাই ট্রাকের চালক মান্নান শেখ বলেন, গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে ঘাট পারের অপেক্ষায় আছেন তিনি। গরু নিয়ে খুব বিপদে আছেন। ট্রাকের পেছনে থাকা গরুগুলো দুর্বল হয়ে পড়েছে। অসুস্থ হয়ে যাচ্ছে। জীবিত গরু নিয়ে ঢাকায় ঢুকতে পারবেন কি না, তা নিয়ে শঙ্কার মধ্যে আছেন।

ঢাকা থেকে আসা খুলনাগামী যাত্রী মনির হোসেন বলেন, ঈদের দুই দিন আগে থেকে প্রচুর ভিড় হয়। তাই আগেই ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়িতে যাচ্ছেন। ভেবেছিলেন, এত আগে ঘাটে ভিড় তেমন হবে না। কিন্তু ঘাটে আসার পর দেখেন মানুষ ও যানবাহনের প্রচুর ভিড়।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিটিসি) বাংলাবাজার ফেরিঘাটের ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘পদ্মায় স্রোত বেশি থাকায় আমরা ফেরি চালাতে কিছুটা সমস্যায় পড়েছি। ফেরিগুলো শিমুলিয়া থেকে আসতে খুব বেশি সময় লাগছে। কোরবানির ঈদের কারণে গরু বোঝাই ট্রাক ও যানবাহনের চাপ খুব বেশি। আমরা চেষ্টা করছি পরিস্থিতি সামাল দিতে। কর্তৃপক্ষের কাছে ফেরি বাড়ানোর আবেদন জানিয়েছি। নতুন ফেরির সংযোগ হলে আশা করছি দুর্ভোগ কমে যাবে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন