বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) ও ঘাট সূত্র জানায়, শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌপথে দেড় মাসের বেশি সময় ধরে ফেরি চলাচল বন্ধ ছিল। পদ্মায় স্রোত ও পানির উচ্চতা বেশি থাকায় গত জুলাই ও আগস্টে পদ্মা সেতুর তিনটি পিলারে চারবার ফেরির ধাক্কা লাগে। এই পরিস্থিতিতে এ নৌপথে সব ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে ১৮ আগস্ট থেকে ফেরি চলাচল বন্ধ ছিল।

পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় চলতি মাসের ৪ অক্টোবর থেকে পাঁচটি ছোট ফেরি চলাচলের মাধ্যমে আবারও যানবাহন পারাপার শুরু হয়। তবে কয়েক দিন ধরে নদীতে স্রোতের গতি বাড়ছিল। আজ সকাল থেকে নদীতে স্রোত তীব্রতর হয়। তাৎক্ষণিকভাবে আবারও ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেয় ঘাট কর্তৃপক্ষ। এতে আবার দুর্ভোগে পড়ল এ নৌপথের যাত্রী ও চালকেরা।

বিআইডব্লিউটিসির শিমুলিয়া ঘাটের ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) সফায়াত আহমেদ জানান, পাঁচটি ছোট ফেরি দিয়ে জরুরি সেবার যানবাহন ও ছোট গাড়ি পারাপার করা হচ্ছিল। পদ্মায় হঠাৎ স্রোত বেড়ে যাওয়ায় ফেরিগুলো চলাচল করতে সমস্যায় পড়ে। নৌ দুর্ঘটনা ও পদ্মা সেতুর নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় নিয়ে সাময়িকভাবে ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে।

এদিকে হঠাৎ ফেরি চলাচল বন্ধ হওয়ায় উভয় ঘাটে কয়েক শ ছোট গাড়ি আটকে পড়েছে। এ সম্পর্কে বাংলাবাজার ঘাটের ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক জামাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘ফেরি হঠাৎ বন্ধ হওয়ায় বাংলাবাজার ঘাটেই দুই শতাধিক গাড়ি আটকে পড়ে। পরে ফেরি বন্ধ হওয়ায় বেশির ভাগ গাড়ি বিকল্প নৌপথ ধরে চলে গেছে। এখনো অর্ধশত গাড়ি পারাপারের অপেক্ষায় ঘাটে রয়েছে। আমরা নতুন আসা গাড়িগুলো বিকল্প নৌপথে যাওয়ার পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি।’

বিআইডব্লিউটিসির বাংলাবাজার ঘাটের ব্যবস্থাপক সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, স্রোতের কারণে সাময়িকভাবে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। স্রোত না কমা পর্যন্ত ঘাট থেকে ফেরি ছাড়া হবে না।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন